দিব্যা ভারতীর মৃত্যুর খবর শুনে শিমলা থেকে ছুটে এসেছিলেন সুনীল শেঠি

সংগৃহীত ছবি
নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং সম্ভাবনাময় নক্ষত্র ছিলেন দিব্যা ভারতী। মাত্র ১৯ বছর বয়সে, ১৯৯৩ সালের ৫ই এপ্রিল নিজের ফ্ল্যাটের পাঁচ তলার বারান্দা থেকে পড়ে গিয়ে তার আকস্মিক মৃত্যু পুরো ভারতকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
সেই শোকাচ্ছন্ন দিনের এক অজানা স্মৃতি এবার প্রকাশ্যে আনলেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী মধু। তিনি জানালেন, দিব্যার মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই শিমলার কনকনে ঠান্ডায় চলতি সিনেমার শুটিং মাঝপথে ফেলে মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সুনীল শেঠি।
সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম ‘আইএএনএস’-কে দেওয়া এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে মধু জানান, সুনীল শেঠির সাথে দিব্যা ভারতীর অত্যন্ত গভীর ও পারিবারিক বন্ধুত্ব ছিল।
নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় ‘রোজা’ সিনেমার নায়িকা মধু স্মৃতিচারণ করে বলেন, “তখন আমরা শিমলার মনোরম লোকেশনে দীপক বাহরি পরিচালিত ‘হাম হ্যায় বেমিসাল’ সিনেমার শুটিং করছিলাম। সুনীল শেঠি এবং আমি একটি দৃশ্যের শট দিচ্ছিলাম। ঠিক তখনই খবর আসে যে দিব্যা আর নেই। খবরটা শোনামাত্রই সুনীল স্তব্ধ হয়ে যায়। সে দিব্যার খুব কাছের বন্ধু ছিল, তাই এক মুহূর্তও দেরি না করে শুটিং স্পটেই কাজ বন্ধ করে সোজা মুম্বাইয়ের ফ্লাইট ধরার জন্য রওনা দেয়।”
দিব্যা ভারতীর সাথে মধুর ব্যক্তিগত কোনো স্মৃতি ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমাদের কখনো দেখা করার সুযোগ হয়নি। তবে আমাদের দুজনের বাবার মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব ছিল। তাছাড়া, আমার খালা হেমা মালিনী যখন তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘দিল আশনা হ্যায়’-তে দিব্যাকে কাস্ট করেন, তখন থেকেই আমি তাকে আমাদের পারিবারিক চলচ্চিত্রের একজন সদস্য হিসেবেই মনে করতাম।”
মাত্র ২ বছরের ক্যারিয়ারে ‘দিওয়ানা’ বা ‘বিশ্বাত্মা’র মতো ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দেওয়া দিব্যা ভারতীর মৃত্যু আজও বলিউডের অন্যতম বড় রহস্য। পুলিশি তদন্তে এটিকে ‘দুর্ঘটনাবশত পতন’ বলা হলেও ভক্তদের একাংশ এখনও এর পেছনে অন্য কোনো রহস্যের গন্ধ খোঁজেন।





