আজ টাইগার শ্রফ, কাল কে, প্রশ্ন ভারতীয় শিল্পীদের সংগঠনের

একনাথ শিন্ডে টাইগার শ্রফের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেয়
মুম্বাইয়ের জুহুতে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানোর ঘটনার পরই অভিনেতার প্রথম কিছু ছবি সামনে এসেছে। সেই ছবিগুলোয় দেখা যাচ্ছে, রবিবারের সেই ভয়াবহ হামলার জেরে অভিনেতার কাঁধে ও বুকে সার্জিক্যাল ড্রেসিং এবং ডান হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা রয়েছে।
গভীর রাতে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে টাইগার শ্রফের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজখবর নেওয়ার সময়ই এ ছবিগুলো সামনে আসে।
টাইগার শ্রফের বাসভবনে গিয়ে তার ও তার মায়ের সঙ্গে দেখা করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কঠোর বার্তা দেন উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে।
তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘মুম্বাইয়ের মাটিতে এ ধরনের দাদাগিরি বা কাউকে ভয় দেখানোর চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। নব্বইয়ের দশকের সেই গ্যাংওয়ারের দিনগুলোর অবসান ঘটিয়েছিল মুম্বাই পুলিশ, ফের সেই অন্ধকার ফিরিয়ে আনতে দেওয়া হবে না।’
সৌভাগ্যবশত টাইগার শ্রফ বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেলেও বন্দুকের বারুদ ও গাড়ির কাচের টুকরো লেগে তার হাতে বেশ ভালো রকম চোট লেগেছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় তার গাড়িচালক গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
টাইগারকে গুলির পর বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হুঁশিয়ারি, ‘সালমানের সঙ্গে কাজ করলে ছাড় নয়’
১৯ অক্টোবর ২০২৬
এ হামলার পরেই বলিউডের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ‘অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’। টাইগার শ্রফের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা প্রশ্ন করেছে, ‘আজ টাইগার শ্রফ, কাল কে? সেলিব্রেটিরাই যদি নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে?’
সালমান খানের বাড়িতে গুলি, সাইফ আলী খানের ওপর হামলা, রোহিত শেঠির বাড়ির বাইরে ফায়ারিং এবং কপিল শর্মার ক্যাফেতে বারবার হামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে যে বলিউডকে টার্গেট করে ভয়ের পরিবেশ ও চাঁদাবাজি চালানোর চেষ্টা চলছে।
বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও সরকার ও পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তারা। পরিস্থিতি দেখে নব্বইয়ের দশকের সেই অন্ধকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে বলে জানায় সংগঠনটি।
বলিউডে ভয়ের রাজত্ব কায়েম করে চাঁদাবাজি ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের সেই পুরনো অন্ধকার ফিরিয়ে আনার যে অপচেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে এবং তারকাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানিয়েছে সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন।




