বিরোধীদলীয় নেতা
শিক্ষা, সংস্কৃতি, মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং প্রগতির প্রধান বাতিঘর ঢাবি

ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার রাতে দেওয়া বাণীতে ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১ জুলাই ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
‘১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি, মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং প্রগতির প্রধান বাতিঘর হিসেবে কাজ করে আসছে। আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্ব বাঙালি জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে’, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেছেন, ‘এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। একটি সুপ্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। আমরা বিশ্বাস করি, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই নয়, বরং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মুক্তচিন্তার অবাধ চর্চার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক প্রজন্ম গড়ে তুলবে যারা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’
আমীরে জামায়াত যোগ করেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিক কারিকুলামের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করা জরুরি। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।’
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি এবং ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।




