এনএসইউর সহ-আয়োজনে কুনমিংয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

কুনমিংয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইউনান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট মা ওয়েনহুই এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী। ছবি: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
চীনের ইউনান ইউনিভার্সিটির ডংলু ক্যাম্পাসে হয়ে গেল ‘চীন-দক্ষিণ এশিয়া সভ্যতা ও যোগাযোগবিষয়ক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন’।
আজ শনিবার অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ইউনান ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল বাংলাদেশের নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)।
‘বৈচিত্র্যের মধ্যে সম্প্রীতি, সবার জন্য ঐক্য’ প্রতিপাদ্যে এই সম্মেলনে চীন, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ৬০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও শিক্ষাবিদ অংশ নিয়েছেন।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সভ্যতার সংলাপ, আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের (গ্লোবাল সাউথ) বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হয়।
সম্মেলনটি আয়োজন করেছে সেন্টার ফর চায়না-সাউথ এশিয়া সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ (সিএসএসসিএস)।
সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইউনান ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট মা ওয়েনহুই বলেন, চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদারে তারা আঞ্চলিক ও একাডেমিক সক্ষমতা কাজে লাগাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ইউনান ইউনিভার্সিটি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মধ্যে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। এ
সহযোগিতা ভাষা ও সংস্কৃতির বিনিময় থেকে এখন গবেষণা এবং যৌথভাবে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ আহমেদ এবং ইউনান ইউনিভার্সিটির সহসভাপতি অধ্যাপক ইয়াং শাওজুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেন।
একই অনুষ্ঠানে নৃতত্ত্ব বিষয়ে যৌথ ‘২+১+১’স্নাতক কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যোগ দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অংশীদারত্ব ও যৌথভাবে শিক্ষার্থী তৈরির কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা আশা করছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে এই ধরনের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও গবেষণা সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়। তার ধারাবাহিকতায় কুনমিংয়ে দ্বিতীয় সম্মেলনের আয়োজন হলো।



