আগামীর সময়

জ্বালানির প্রয়োজনে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের ঋণ : উপদেষ্টা

জ্বালানির প্রয়োজনে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের ঋণ : উপদেষ্টা

ফাইল ছবি

জ্বালানি তেলের নতুন উৎসের সন্ধানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চলছে যোগাযোগ। তেলের জন্য অর্থের যোগান নিশ্চিতে প্রয়োজনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ নেবে সরকার। 

সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে রবিবার সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এ মুহূর্তে সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

‘প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দিতে বিভিন্ন খাত থেকে ব্যয় কমিয়ে জ্বালানি কেনার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে...  জ্বালানি তেলের অর্থ যোগানের জন্য আমরা যে কোনো জায়গা থেকেই চেষ্টা করব। সেটা আইএমএফ, এডিবি বা বিশ্বব্যাংক যেখান থেকেই হোক না কেন। আমরা চেষ্টা করছি যত কম সুদে ঋণ নেওয়া যায়।’

এসময় উপদেষ্টা কথা বলেন সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নিয়ে।

‘সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ করা হয়নি। একইভাবে কৃষকদের জন্য দেওয়া কৃষক কার্ড বিতরণেও কোনো রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না। যে যোগ্য, সেই কৃষক কার্ড পাবেন। আগে এসব ক্ষেত্রে রাজনীতিকরণ করা হতো, কিন্তু এখন তা করা হবে না।’

এদিকে, জ্বালানি তেলের সংকট মেটাতে জেলা প্রশাসকদের আজ ৯টি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অনলাইন মতবিনিময় সভায় এই নির্দেশনা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সে তথ্য।

নির্দেশনার মধ্যে আছে, প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে দিতে হবে রিপোর্ট, ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ করতে হবে নিশ্চিত।

নির্দেশনা বলছে, সব গ্রাহকের সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করতে হবে। পেট্রোল পাম্প বন্ধ হলে, তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব অন্তত দুইবার যাচাই করতে হবে।

জেলা প্রশাসকদের অবৈধ মজুতদারি ঠেকাতে, তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ও  জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করতে তৎপর থাকার কথাও বলা হয়েছে। 

বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি যেন না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার এবং অপরাধ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার নির্দেশনাও আছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    শেয়ার করুন: