আগামীর সময়

তেল-জ্বালানির সংকট নেই ‘আপাতত’- বিপিসি

তেল-জ্বালানির সংকট নেই ‘আপাতত’- বিপিসি

সংগৃহীত ছবি

ইরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই বিশ্বব্যাপী বেড়েছে তেল ও গ্যাসের দাম। ‘সামরিক হামলার’ পর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানিকারক কাতার এনার্জির স্থাপনাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সোমবার বেড়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও।


আবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখায় তেল পরিবহনের খরচও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।


এই পরিস্থিতিতে অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও জ্বালানি তেল এবং তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি বন্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) কর্মকর্তারা বলছেন, এখনই তেল-জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার শঙ্কা নেই। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে আমদানিতে প্রভাব পড়লে সংকট তৈরি হতে পারে।


কারওয়ান বাজারের বিপিসি ভবনে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেন বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান।


তিনি জানালেন, দেশে এখন ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুত আছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি নজরে রেখে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়ে ভাবছে সরকার। তবে বর্তমান মজুত যা আছে, তাতে আপাতত দাম বাড়ার শঙ্কা নেই।


নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে সোমবার পর্যন্ত ৭টি জাহাজের এলসি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানালেন তিনি। বললেন, বর্তমানে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেড ফুয়েল ৫৫ দিনের মজুত রয়েছে।

    শেয়ার করুন: