Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শেয়ারবাজার

বিনিয়োগ পরামর্শ নীতিমালায় আসছে পরিবর্তন, বিএসইসির কমিটি গঠন

নুরুজ্জামান তানিম
নুরুজ্জামান তানিম
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ২০:২৫
বিনিয়োগ পরামর্শ নীতিমালায় আসছে পরিবর্তন,  বিএসইসির কমিটি গঠন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ পরামর্শ কার্যক্রমকে নিয়ন্ত্রিত, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করতে নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ লক্ষ্যে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সংস্থাটি, যা বিদ্যমান গবেষণা বিশ্লেষক বিধিমালা পর্যালোচনা করে বিনিয়োগ উপদেষ্টা সেবার জন্য একটি আধুনিক ও কার্যকর নীতিমালার সুপারিশ করবে।

আজ বৃহস্পতিবার বিএসইসির আইন বিভাগ থেকে জারি করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশ অনুযায়ী, কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেছেন, বর্তমানে গবেষণা বিশ্লেষকদের জন্য একটি বিধিমালা থাকলেও সেখানে নিবন্ধন, অনুমতিপত্র প্রদান, নবায়ন ও তদারকির পূর্ণাঙ্গ কাঠামো নেই। ফলে অনেকেই কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই বিনিয়োগ-সংক্রান্ত পরামর্শ দিয়ে আসছেন। কমিশনের উদ্যোগ হলো এমন একটি আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করা, যেখানে বিনিয়োগ উপদেষ্টাদের নিবন্ধনের আওতায় এনে অনুমতিপত্র, নবায়ন, বিধি প্রতিপালন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা গবেষণাভিত্তিক ও নির্ভরযোগ্য পরামর্শ পাবেন এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ পরামর্শ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ হবে।

কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিএসইসির পরিচালক মো. মাহমুদুল হক। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ রাকিবুর রহমান, উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ওয়ারিসুল হাসান রিফাত এবং সহকারী পরিচালক (সদস্য সচিব) মেহরান আলী।

তথ্য বলছে, বর্তমানে কার্যকর থাকা গবেষণা বিশ্লেষক বিধিমালা-২০১৩-এ গবেষণা বিশ্লেষকদের সংজ্ঞা, যোগ্যতা, গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের মানদণ্ড, স্বার্থের সংঘাত, বিধিনিষেধ এবং গবেষণা পরিচালনার নীতিমালা নির্ধারণ করা রয়েছে। এসব বিধির আওতায় গবেষণা বিশ্লেষকরা তালিকাভুক্ত কোম্পানি, বিভিন্ন শিল্পখাত এবং শেয়ারবাজারের সামগ্রিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন।

তবে বিদ্যমান বিধিমালায় গবেষণা বিশ্লেষকদের জন্য বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, অনুমতিপত্র গ্রহণ, অনুমতিপত্র নবায়ন এবং নিয়মিত বিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার কোনো সুস্পষ্ট বিধান নেই। ফলে অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন মাধ্যমে বিনিয়োগ পরামর্শ দিয়ে আসছেন, যাদের কার্যক্রম কার্যকরভাবে তদারকি বা জবাবদিহির আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই বাস্তবতায় কমিশন বিদ্যমান বিধিমালাকে আরও শক্তিশালী করে গবেষণা বিশ্লেষক ধারণাকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগ পরামর্শ কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামোতে বিনিয়োগ পরামর্শকদের জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতা, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন বা অনুমতিপত্র, নির্ধারিত সময় পরপর নবায়ন, নিয়মিত বিধি প্রতিপালন, গবেষণাভিত্তিক পরামর্শ প্রদান, নৈতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কমিশনের সরাসরি তদারকির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব আসতে পারে।

এর মাধ্যমে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা কমিশনের নিবন্ধিত ও অনুমোদিত বিনিয়োগ পরামর্শকদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। তবে বিনিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে বিনিয়োগকারীর কাছেই থাকবে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অননুমোদিতভাবে শেয়ার কেনাবেচার পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব পরামর্শ বিভ্রান্তিকর বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামো কার্যকর হলে এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম কমবে এবং বিনিয়োগ পরামর্শ খাত আরও স্বচ্ছ, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক হবে।

নিয়ন্ত্রক কাঠামো
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise