পাঁচ বছরে ২৮৫৫ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিয়েছে রবি

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পাঁচ বছর পূর্তিতে নিজেদের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ টেলিকম অপারেটর রবি। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জিয়াদ সাতারা গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, প্রতিকূল ব্যবসায়িক পরিবেশের মধ্যেও শক্তিশালী করপোরেট সুশাসনের ভিত্তিতে রবি ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত পাঁচ বছরে রবি শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা লভ্যাংশ বিতরণ করেছে।
রবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে তাদের নেটওয়ার্কে ৭৬ লাখ ৭০ হাজার নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন। একই সময়ে ১ কোটি ১০ লাখ নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং ২ কোটি ৫৫ লাখ নতুন ফোরজি গ্রাহক যুক্ত হয়েছে। ২০২০ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে সর্বোচ্চসংখ্যক সক্রিয় গ্রাহক যুক্ত করার দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আর্থিক দিক থেকেও ধারাবাহিক উন্নতির কথা তুলে ধরে রবি জানায়, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর রাজস্ব ও কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়েছে। ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি মোট ২ হাজার ৮১৯ কোটি টাকার বেশি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে।
২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে রবির সক্রিয় গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৭৯ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং ৭২ শতাংশ ফোরজি গ্রাহক।
নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের তথ্য তুলে ধরে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার মো. সাহেদ আলম জানিয়েছেন, ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত স্পেকট্রামের মূল্য বাদ দিয়ে নেটওয়ার্কে ৯ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। ২০২০ সালের শেষে যেখানে ফোরজি সাইট ছিল ১৩ হাজার ১৭৩টি, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা বেড়ে হয়েছে ১৯ হাজার ৬৪৬টি। একই সঙ্গে স্পেকট্রাম ধারণক্ষমতা ৩ দশমিক ৪ গুণ বেড়ে ১২৪ মেগাহার্টজে পৌঁছেছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রবির সিএফও রুহুল আমিন ও সিসিও শিহাব আহমাদ।




