Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় শেয়ারবাজার

তদন্তে বিএসইসি

আমরা টেকের শেয়ারে সন্দেহজনক উত্থান

  • আড়াই মাসে দর বৃদ্ধি ৭৭.৬৯ শতাংশ
নুরুজ্জামান তানিম
নুরুজ্জামান তানিম
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৭
আমরা টেকের শেয়ারে সন্দেহজনক উত্থান

দেশের শেয়ারবাজারে ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক মূল্য উত্থান ও সন্দেহজনক লেনদেনে শনাক্ত হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে সম্ভাব্য কারসাজি, ইনসাইডার ট্রেডিংসহ বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে কি না— তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত বুধবার বিএসইসির সার্ভিল্যান্স বিভাগ থেকে জারি করা হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা।

জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ‘আমরা টেকনোলজিসের’ শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পাওয়া এবং লেনদেনে অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেছে কমিশন। বিষয়টি স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে না। তাই সন্দেহজনক এ ঘটনার‌ এর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ডিএসইকে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ও লেনদেন বৃদ্ধির কারণ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে নেওয়া হবে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২০ মে আমরা টেকনোলজিসের শেয়ারের দাম ছিল ১৩ টাকা, যা ৯ আগস্ট বেড়ে দাঁড়ায় ২৩ দশমিক ১০ টাকায়। এরপর শেয়ারটির দাম কিছুটা কমে আসে। ফলে গত আড়াই মাসের কম সময়ের মধ্যে শেয়ারটির দাম বেড়েছে ৭৭ দশমিক ৬৯ টাকা।
এভাবে অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো কারসাজি রয়েছে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সন্দেহ। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত শেষে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে কমিশনে।

বিএসইসির নির্দেশনায় তদন্তের বেশ কয়েকটি দিক উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— আমরা টেকনোলজিসের শেয়ার নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কোনো সমন্বিত কারসাজিমূলক ও অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে কি না, অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহার করে ইনসাইডার ট্রেডিং হয়েছে কি না এবং স্টক ব্রোকার, ডিলার ও তাদের প্রতিনিধিরা মার্জিন রুলস এবং কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনেছেন কি না— তা তদন্ত করে দেখা হবে। পাশাপাশি সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীদের কোনো ব্যর্থতা বা দায় রয়েছে কি না এবং সিকিউরিটিজ আইনের অন্য কোনো লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা ও অনুমোদিত প্রতিনিধিদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেও দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। বিএসইসির মতে, এ ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালার সম্ভাব্য লঙ্ঘন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন বলেছেন, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়া যখন কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে, তখন বুঝতে হবে এর পেছনে নির্দিষ্ট কোনো চক্র কাজ করছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও আস্থা ধরে রাখতে বিএসইসি নির্দেশিত এই তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১২ সালে। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৬৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। সে হিসাবে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৭ হাজার ৪৪২ টাকা। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৩০.০১, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩২.০৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

 

শেয়ারবাজারআমরা টেকনোলজিস লিমিটেডবিএসইসি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise