আগামীর সময়

ইফতার ও সাহরি সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে আগুন!

ইফতার ও সাহরি সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে আগুন!

সংগৃহীত ছবি

রমজানের শুরুতেই অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। বিশেষ করে ইফতার ও সাহরি সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে রীতিমতো আগুন! নানা অজুহাতে কয়েকগুণ বেশি দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। গতকাল রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

রোজায় বেশ কিছু দরকারি পণ্য বিশেষ করে লেবু, বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, খেজুর, মুরগি, মাংস ও ফলের দাম লাগামহীন বেড়েছে। রাজধানীর বাজারগুলোতে সাইজভেদে লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ১৬০ টাকাও চাওয়া হচ্ছে। বাজারে দ্বিগুণ দাম চাওয়া হচ্ছে ইফতারের অনুষঙ্গ বেগুন। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি শসা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের কেজিও ২০০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারিতে ৫৩ থেকে ৫৬ টাকা এবং খুচরায় ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ছোলা ৯৫ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রমজানে চাহিদা বাড়ায় মুরগির দামও বেড়েছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কেজি এক হাজার ৩০০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) খেজুর আমদানিতে বর্তমান শুল্কের ৪০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও দাম কমেনি, বরং কিছু জাতের খেজুরের দাম বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বরই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, সুক্কারি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মেডজুল এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা ও মেডজুল জাম্বু খেজুর এক হাজার ৭০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা, আজওয়া খেজুর মানভেদে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা, ছোট সাইজের আজওয়া খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, মরিয়ম এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছড়া খেজুর মানভেদে ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    শেয়ার করুন: