যুবকদের প্রশিক্ষণে ৯৫৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন

বেকারত্ব হ্রাস, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে একগুচ্ছ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে বড় প্রকল্পের পাশাপাশি টিসিবির জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্য তেল ও ডাল কেনা, এলএনজি এবং সার আমদানিসহ পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের ২৩টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে এ তথ্য জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পিছিয়ে পড়া তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে তুলতে ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ইকোনমিক অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর এনইইটি’ প্রকল্পের আওতায় ৮ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ প্রকল্পে ৯৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্র্যাক, কেয়ার বাংলাদেশসহ ১০টি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী দামে বিক্রির জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৮২২ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ কোটি লিটার ভোজ্য তেল (পাম অলিন ও সয়াবিন) এবং ২২ হাজার ৫০০ টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া, জ্বালানি নিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৪৬৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাফকো এবং মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া ও ৩০ হাজার টন টিএসপি সার কেনা হবে।
অবকাঠামো খাতের বান্দরবানে ‘রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের পূর্ত কাজের জন্য ১৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এ কাজ বাস্তবায়ন করবে। অন্যদিকে, গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণের সম্ভাবনা যাচাই এবং মাস্টারপ্ল্যান তৈরিতে ৩৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে দেশি-বিদেশি যৌথ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।




