কৃষি প্রতিবেদনে ৭ সাংবাদিকের হাতে অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাত সাংবাদিক। কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাত নিয়ে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনের স্বীকৃতি হিসেবে শনিবার তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসান হাফিজ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইলিয়াছ মৃধা এবং কামরুজ্জামান কামাল।
প্রিন্ট বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন সুকান্ত হালদার, রফিকুল ইসলাম এবং এম মুনির হোসেন। টেলিভিশন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন দেলাওয়ার হোসেন দোলন ও রাকিব হোসেন। অনলাইন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন নাজমুল হোসেন এবং শরিফুল রুকন।
দেশের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাতে অবদান রাখা সাংবাদিকদের সম্মাননা জানাতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার চালু করেছে প্রাণ গ্রুপ। ২০২৫ সালে প্রকাশিত প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিন সদস্যের জুরি বোর্ড সেরা সাত সাংবাদিককে নির্বাচন করে।
জুরি বোর্ডে ছিলেন রোবায়েত ফেরদৌস, খুরশিদ আহমেদ ফরহাদ এবং মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষি-শিল্পের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও চিন্তা। দেশের জিডিপি, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান উল্লেখযোগ্য বলেও তিনি তুলে ধরেন।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কৃষি অর্থনীতি ও কৃষি-শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির আহ্বান জানান। পাশাপাশি এসব প্রতিবেদন সংকলন করে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে সুপারিশ আকারে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ইলিয়াছ মৃধা তার বক্তব্যে বলেন, কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে এ খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে এবং পোশাকশিল্পের পর অন্যতম রপ্তানি খাতে পরিণত হতে পারে।
তার ভাষ্য, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের উদ্দেশ্য হলো কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে সাংবাদিকদের আরও অনুসন্ধানী কাজে উৎসাহিত করা। থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার মতো দেশের অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশেরও বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাত নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন কৃষক, উদ্যোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি সবাইকে উপকৃত করে। বিশেষ করে বাজারজাতকরণ ও রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আরও গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন এ শিল্পের উন্নয়নে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়।




