নৌপথ সচল হলে কমবে ব্যবসার ব্যয়
- ড্রেজিংয়ে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব
- পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ডিসিসিআই সভাপতির সাক্ষাৎ

সংগৃহীত ছবি
দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্য সংকট দূর করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা গেলে পণ্য পরিবহন ও ব্যবসার ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেছেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে শিল্পের কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহনের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মাধ্যম হলো নৌপথ। কিন্তু পলি জমে নাব্য হ্রাস এবং অবৈধ দখলের কারণে এই মাধ্যমটির যথাযথ ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি নদীতীর পুনরুদ্ধার ও পরিকল্পিত ড্রেজিং কার্যক্রমের ওপর জোর দেন। তাসকীন আহমেদ বললেন, ‘বর্তমান সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার জলাশয় খননের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়িত হলে নৌ-চলাচল বৃদ্ধির পাশাপাশি সেচ ও কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়বে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
রাজধানীর যানজট নিরসনে একটি বিকল্প এবং কার্যকর পরিবহন ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি বলেছেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরী নদীকে সংযুক্ত করে ঢাকার চারপাশে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দীর্ঘ বৃত্তাকার নৌপথের যথাযথ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। এই লক্ষ্য অর্জনে খাল খনন ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদানে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলের আওতায় বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি।
জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সাশ্রয়ী যাতায়াত ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ মাধ্যম নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। সরকার এরই মধ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি এই কার্যক্রমে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, টেকসই নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের পাশাপাশি অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।




