Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ব্যাংক

ব্যাংক আইন অনুযায়ী লুটেরা ফিরতে পারবে না : বিএবি

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ১৯:৫২
ব্যাংক আইন অনুযায়ী লুটেরা ফিরতে পারবে না : বিএবি

ছবি: আগামীর সময়

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) প্রতিনিধি দলের বৈঠক হয়েছে। এতে ব্যাংকিং খাতের নীতিগত সিদ্ধান্ত, দুর্বল ব্যাংক একীভূতকরণ, বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবন এবং আর্থিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকে ব্যবসায়ীরা ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট, শিল্প উৎপাদনে স্থবিরতা এবং নতুন আইনগত পরিবর্তন নিয়ে তাদের উদ্বেগ তুলে ধরেন। গভর্নর জানান, সরকার যে ব্যাংক রেগুলেশন আইন করেছেন, সব শর্ত পূরণ করতে গেলে লুটেরা ফিরতে পারবে না।

আজ সোমবার বৈঠক শেষে বিএবির চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেছেন, কোম্পানি আইনের নতুন সংশোধনী তথা ১৮-ক ধারা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এ আইনের ব্যাখ্যা বা প্রয়োগের মাধ্যমে অতীতে ব্যাংক খাতে অনিয়মে জড়িত কিছু মালিকপক্ষ আবারও নিয়ন্ত্রণে ফেরার সুযোগ পেতে পারে।

তবে এ বিষয়ে গভর্নর স্পষ্টভাবে আশ্বস্ত করেছেন। বর্তমান বাস্তবতায় এমন কোনো সুযোগ নেই। ব্যাংক রেগুলেশন আইন অনুযায়ী ব্যাংক লুটেরা বা অনিয়মকারীরা পুনরায় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফিরতে পারবে না। আলোচিত ধারাটি এখন কার্যকর অবস্থায় নেই।

বৈঠকে বন্ধ ও রুগ্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় সচল করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ খাতে সহায়তা দিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গভর্নর।

তবে এই সহায়তা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে না। যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে, কিন্তু শুধু চলতি মূলধনের সংকটে উৎপাদন চালাতে পারছে না, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সহায়তা দেওয়া হবে।

আবদুল হাই সরকার জানালেন, সহায়তা দেওয়ার আগে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা, দায়-দেনা, ব্যবসার বাস্তবতা এবং অতীত কার্যক্রম কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। ঢালাওভাবে ঋণ বা প্রণোদনা না দিয়ে কার্যকর ও সম্ভাবনাময় শিল্পপ্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দুর্বল ব্যাংক একীভূতকরণের বিষয়েও গভর্নর তার অবস্থান স্পষ্ট দাবি করে তিনি জানান, পাঁচটি দুর্বল ব্যাংক একীভূত করার আগের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে।

শিল্প উৎপাদনে গ্যাস ও বিদ্যুতের ঘাটতির বিষয়ে তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালাতে পারছে না। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বাড়ছে।

সবমিলিয়ে বৈঠকে ব্যাংকিং ও শিল্প খাতের নানা সংকট ও উদ্বেগের বিষয়গুলো গভর্নরের সামনে তুলে ধরেন। গভর্নর এসব বিষয় ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিলেও যেকোনো আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ওপর জোর দেন।

বিএবিব্যাংকগভর্নর
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise