অ্যামচেমের বাজেট আলোচনা
রাজস্ব আদায়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নেই

সংগৃহীত ছবি
আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাব এবং অবাস্তব রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা। বাজেট কাঠামোতে রাজস্ব আদায়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না থাকায় সমালোচনা করেন তারা।
সোমবার বনানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত বাজেট আলোচনায় বক্তারা এই শঙ্কা প্রকাশ করেন। সংগঠনটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এম মাসরুর রিয়াজ। তিনি বলেছেন, রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, অবাস্তব তা পূরণ করতে গিয়ে করদাতাদের ওপর বেপরোয়া শুল্ক-করের বোঝা চাপানো হতে পারে।
ব্যয়ের খাত উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, বাজেটের ৪১ শতাংশই চলে যাবে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা, পেনশন, বিভিন্ন ভর্তুকি এবং ঋণের সুদ পরিশোধে। এ ছাড়া উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ ‘থোক’ হিসেবে রাখায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
প্যানেল আলোচনায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বললেন, নতুন সরকারের জনগণের প্রতি অনেক প্রতিশ্রুতি থাকায়, এটি একটি সম্প্রসারণমূলক বাজেট হয়েছে। তবে এ বাজেটের বিশাল অর্থায়ন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ নিয়ে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী বলেছেন, বাজেটে ব্যবসা সহজ করার কথা বলা হলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন পুরোপুরি দেখা যায়নি।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সাবেক সিইও নাসের এজাজ বিজয় বাজেট কাঠামোতে রাজস্ব আদায়ের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না থাকায় সমালোচনা করেন।
অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন অ্যামচেমের সহসভাপতি ও মেটলাইফ বাংলাদেশের সিইও আলা উদ্দিন আহমদ।




