শ্রমিকদের বেতন ও চাকরির সুরক্ষা চাই

মো. আশরাফুজ্জামান
বাজেটের নানা দিক নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও মতামত দিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এ প্রেক্ষাপটে আগামীর সময়ের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কনসিলিয়েশন-কাম-আরবিট্রেশন কমিটির সদস্য মো. আশরাফুজ্জামান।
পোশাকশিল্প, শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক, ন্যূনতম মজুরি, পোশাকশিল্পে বিভিন্ন সময়ে অস্থিরতাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।
আশরাফুজ্জামানের মতে, বাজেটে পোশাকশিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীরা কী সুবিধা পেল বা না পেল, তার চেয়ে এখন বেশি প্রয়োজন বন্ধ কলকারখানাগুলো খুলে দেওয়া। এ ছাড়া বিভিন্ন কারখানায় নানা সময়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এতে মালিকরা শ্রমিক ছাঁটাইসহ কারখানাও বন্ধ করে দেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় শ্রমিকরা দায়ী থাকেন। কারণ অনেকে না বুঝে অন্যের উসকানিতে অযৌক্তিক আন্দোলনে যোগ দেন। এজন্য শ্রমিকদেরও কাউন্সেলিং করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণও করা যায় না।
‘শ্রমিক বাঁচাও, শিল্প বাঁচাও, দেশে বাঁচাও’— এ নীতিতে বিশ্বাস করি। সেই নীতিতে আমরা সংগঠনগুলোকে পরিচালনা করি। আমাদের দেশের পোশাকশিল্প বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এজন্য সরকার, মালিক, শ্রমিককে আন্তরিক থাকতে হবে। উন্নতি করতে হবে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের পরিবেশ। থাকতে হবে তাদের চাকরির নিশ্চয়তা। সঠিক সময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে হবে— যোগ করেন তিনি।
আগামীর সময়কে আশরাফুজ্জামান আরও বলছেন, শ্রমিকদের ন্যূনতম যে বেতন আমরা দাবি করি, তা কখনোই পাই না। আমরা ২৩ হাজার টাকা চেয়েছি আর পেয়েছি সাড়ে ১২ হাজার টাকা। তারপরও অনেকের জীবনের বিনিময়ে এ দাবি আদায় হয়েছে।





