Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদ

আবু জুবায়ের উজ্জল, টাঙ্গাইল
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯
স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ঝিনাই নদীর তীরে নির্মিত দেশের অন্যতম নান্দনিক স্থাপত্য ২০১ গম্বুজ মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন নকশা ও ব্যতিক্রমী স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি এখন দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের জন্য ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার ঝিনাই নদীর তীরে দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে প্রায় ১৫ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হয়েছে এই মসজিদ। সুপরিকল্পিত নকশা ও সূক্ষ্ম কারুকাজে গড়ে ওঠা স্থাপনাটির প্রতিটি অংশেই ফুটে উঠেছে আধুনিক স্থাপত্যের শৈল্পিক সৌন্দর্য।

মসজিদটির ছাদে রয়েছে ৮১ ফুট উচ্চতার একটি বড় গম্বুজ, যার চারপাশে সারিবদ্ধভাবে স্থাপন করা হয়েছে আরও ২০০টি ছোট গম্বুজ, প্রতিটির উচ্চতা ১৭ ফুট। এছাড়া মূল মসজিদের চার কোনায় ১০১ ফুট উচ্চতার চারটি মিনার এবং আরও চারটি ৮১ ফুট উচ্চতার মিনার রয়েছে। আজান প্রচারের জন্য নির্মিত হয়েছে প্রায় ৪৫১ ফুট উচ্চতার একটি সুউচ্চ মিনার, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উঁচু মিনার হিসেবে বিবেচিত।

১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের এই বিশাল মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শুধু নামাজই নয়, এখানে ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামী গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগও রয়েছে। ফলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

স্থানীয় মুসল্লি নুর আলম বলেন, বাংলাদেশের স্থাপত্য ইতিহাসে এটি একটি অনন্য সংযোজন। নির্মাণের শুরু থেকেই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় করছেন।
ঢাকার তেজগাঁও থেকে আসা আবুল কালাম আজাদ জানান, ২০১টি গম্বুজের সারিবদ্ধ বিন্যাস মসজিদটিকে অন্য সব মসজিদ থেকে আলাদা করেছে। কাছ থেকে দেখলে এর সৌন্দর্য আরও বেশি মুগ্ধ করে।

মানিকগঞ্জ থেকে আসা শিক্ষক করিম তালুকদার বলেন, এটি শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং একটি অপূর্ব স্থাপত্যিক নিদর্শন।

স্থানীয় সোহেল রানা জানান, মসজিদের পাশে নির্মিত সুউচ্চ মিনারটিও দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।

মসজিদটির খতিব ও ইমাম আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালের শেষের দিকে শেষ হয়। প্রতিটি দরজায় বিপুল পরিমাণ পিতল ব্যবহার করা হয়েছে এবং মসজিদের দেয়ালে টাইলসে খোদাই করে পবিত্র ৩০ পারার কোরআন শরিফ লেখা রয়েছে।

মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা মো. রফিকুল ইসলামের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এটি নির্মিত হয়েছে বলে জানান তার ভাই মো. হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, মক্কা-মদিনার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এমন ব্যতিক্রমধর্মী একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এছাড়াও মসজিদকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, দুস্থদের পুনর্বাসন এবং লাশ সংরক্ষণের হিমাগার নির্মাণ করা হয়েছে।

নান্দনিক স্থাপত্য, অসংখ্য গম্বুজ, সুউচ্চ মিনার ও ধর্মীয় তাৎপর্যের কারণে ২০১ গম্বুজ মসজিদ এখন টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অসংখ্য মানুষ এই অনন্য স্থাপনাটি দেখতে ও ইবাদত করতে এখানে ভিড় করছেন।

টাঙ্গাইল২০১ গম্বুজ মসজিদ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise