সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটের আদালতে বাবর-আরিফ-গউছ

সিলেটের আদালতে আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর। ছবি: আগামীর সময়
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেটের আদালতে হাজির হয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এই মামলায় একই সঙ্গে আদালতে হাজির হন সরকার দলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার শুনানিতে অংশ নেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মো. আবুল হোসেন।
তিনি জানান, মামলার ধার্য তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেন।
আদালতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।
আদালতে আসামিরা জানান, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি করে। শুরুতে এজাহারে তাদের নাম ছিল না পরবর্তীতে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
হুইপ জিকে গউছ বলেছেন, ‘এই মামলার কারণে সাড়ে ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এ মামলায় আমাকে আসামি করা হয়। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।’
২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে তখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সেই ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে যান এই নেতা। বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী নিহত ও ২৯ জন আহত হন। ঘটনার পর দিরাই থানার তৎকালীন এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন। গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন তিনি।
দুটি মামলায় ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর বাবর, আরিফুল, জিকে গৌছসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়।





