Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

মধুমতির ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে পথে ১৩ পরিবার

বাগেরহাট প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২
মধুমতির ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে পথে ১৩ পরিবার

ছবি: আগামীর সময়

মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাগেরহাটের মোল্লাহাটে গত ছয় মাসে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ১৩টি বসতভিটা। ঘরবাড়ি হারিয়ে এসব পরিবারের কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়ের বাড়িতে, কেউ অন্যের জমিতে। আবার কেউ বাধ্য হয়েছেন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে নদীতীরের আরও বহু ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি।

স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিনই নদীর পাড়ের মাটি ধসে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী কয়েক মাসে আরও বাড়তে পারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

ভাঙনে সর্বস্ব হারানো সুফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার সংসার সব চলে গেছে। সাতখান-আটখান করে বাড়ি চলে গেছে। এখন আমার আর কিছুই নাই। আগে এই জায়গা-জমি ভেঙে গেছে, এখন আমরা কোথায় যাব, কোনো জায়গা নাই। ছেলেমেয়ে নিয়ে কোথায় উঠব, সেই ব্যবস্থাটা আমাদের করে দেন।’

স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল বলেন, ‘এখানে আটটি ঘর ছিল, আটটি ঘরই নদীতে চলে গেছে। আর এখানে বাকি যে ঘরগুলো আছে, সেগুলো হয়তো ছয় মাস থাকবে কি না, সেটাই সন্দেহ রয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করছি, এখানে দ্রুত একটা ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং এই ভাঙন বন্ধ করা হোক।’

মুক্তিযোদ্ধা হাসমত আলী শেখ বলেন, ‘আমার বাড়িসহ অনেক বাড়ি ভেঙে যাচ্ছে। দ্রুত কোনো ব্যবস্থা না নিলে আরও অনেক বাড়িঘর ভেঙে যাবে। আমরা চাই, সরকার জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিক।’

নদীভাঙনে বসতভিটা হারানো মনিরা বেগম বলেন, ‘চোখের সামনে নিজের ঘরবাড়ি নদীতে চলে গেছে। অনেক কষ্ট করে সংসার গড়েছিলাম। এখন থাকার মতো জায়গাটুকুও নেই। পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের মতো আরও অনেক পরিবার পথে বসবে।’

আরও পড়ুন

ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

০৭ অক্টোবর ২০২৬

ভুক্তভোগী কামাল বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছিলাম ভাঙন হয়তো আমাদের বাড়ি পর্যন্ত আসবে না। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই নদী কাছে চলে আসে। শেষ পর্যন্ত ঘর সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাইনি। এখন সব হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছি। আমরা চাই দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর ব্যবস্থা করা হোক।’

৭ নম্বর আটজুড়ি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. লিটন মোল্লা জানান, তার এলাকায় ২১টি পরিবার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত বিঘা ফসলি জমিও নদীতে চলে গেছে। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অনেকবার আবেদন করেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো আশার আলো দেখতে পাইনি। জরুরি ভিত্তিতে কিছু জিও ব্যাগের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ও আরও অনেক ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাদের দাবি, ভাঙনপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার পাশাপাশি স্থায়ী নদীশাসনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ বিষয়ে মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আইরিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মধুমতির ভাঙনে বসতভিটা হারানো পরিবারগুলোর দাবি, দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের মতো আর কোনো পরিবার যেন ঘরবাড়ি হারিয়ে পথে না বসে, সেই ব্যবস্থা চান নদীতীরের মানুষ।

বাগেরহাটনদীভাঙন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের

    শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল আবরার ফাহাদ : আব্দুল কাদের