ভালুকা
গ্যাসের অভাবে বন্ধের মুখে ৭৬ কারখানা

ছবি: আগামীর সময়
ময়মনসিংহের ভালুকায় কারখানাগুলোতে চলছে তীব্র গ্যাসের সংকট। গত চার দিনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় শিল্পাঞ্চলের প্রধান কারখানাগুলোয় উৎপাদন কমেছে গড়ে ৪০-৬০ শতাংশ। ফলে গ্যাসে চালিত ৭৬টি কারখানায় বন্ধের উপক্রম দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কারখানা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলে ২৯৩টি শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে ৭৬টি গ্যাসচালিত। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি গ্যাসচালিত কারখানাই গ্যাস-সংকটে পড়েছে। বাকি ২১৭টি কারখানায় জেনারেটর ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আংশিক উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হলেও যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
শিল্প পুলিশ-৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার গোপীনাথ কাঞ্জিলাল বললেন, গতকাল বৃহস্পতিবার গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুপুরের খাবারের সময় মাহাদি সোয়েটার্স লিমিটেড, সুলতানা সোয়েটার্স, লিজ ফ্যাশন, টিএম টেক্সটাইল, ত্রিশাল টেক্সটাইল, বিএসপি স্পিনিং মিলসহ ২০টি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেয়।
ভালুকার হামিদ টেক্সটাইল মিলের অ্যাডমিন ম্যানেজার মো. নোমান আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, কারখানায় ১ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। গত চার দিন ধরে গ্যাস সরবরাহ একবারে কম। ডিজেলে বয়লার চালু আছে। এতে কারখানায় বেড়েছে উৎপাদন খরচ, উৎপাদন কমেছে ৩০-৫০ শতাংশ। ফলে যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ফ্যাক্টরি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শেফার্ড গ্রুপের আরেক কর্মকর্তা বললেন, মাস খানেক ধরে গ্যাসের সরবরাহ কমতির দিকে। তবে গত চার দিনে সেটি প্রকট আকারে ধারণ করেছে। ফলে তাদের উৎপাদন অর্ধেক কমে গেছে। এভাবে কত দিন, একটা সময়ে বন্ধ হয়ে যাবে কারখানা।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ভালুকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (সিস্টেম অপারেশন) শামীম হোসেনের ভাষ্য, ভালুকায় ১৪০ ও ৫০ পিএসআইয়ের দুটি পৃথক লাইনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে তারা ৩০ থেকে ৫০ পিএসআই গ্যাস পাচ্ছেন। সরবরাহ কম পাওয়ায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে।







