Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরে ভোলার জেলেরা

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১৫:৪৯
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরে ভোলার জেলেরা

ছবি: আগামীর সময়

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও ভোলার জেলেরা থেমে নেই সামুদ্রিক ইলিশ ধরা ও বেচাকেনায়। প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতির সুযোগে জেলেরা নির্ভয়ে সাগরে মাছ শিকার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এ সুযোগে বৈধ পরিবহন কাগজপত্র ব্যবহার করে সামুদ্রিক মাছ দেশ-বিদেশে পাঠানো হচ্ছে।

গত ১২ মে রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভোলায় কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের যৌথ অভিযানে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ টাকার ইলিশ জব্দ করা হয়। তবে জব্দ হওয়া মাছ নদীর নাকি সাগরের, তা নিয়ে ভোলা ও চরফ্যাশন মৎস্য বিভাগের বক্তব্যে দেখা দিয়েছে ভিন্নতা।

অভিযোগ রয়েছে, জব্দ হওয়া ইলিশের চালানের বিপরীতে চরফ্যাশন মৎস্য বিভাগ থেকে বৈধ মৎস্য পরিবহন ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।

ব্যবসায়ীদের দাবি, জব্দ হওয়া ইলিশ মেঘনা নদীতে ধরা হয়েছে। তাদের কোনো ট্রলার সাগরে যায়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানিয়েছেন, ঘাটে থাকা মাছ দেখে তা নদীর না সাগরের, সেটি নিশ্চিতভাবে বোঝা যায়নি।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেছেন, বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ছাড়া শুধু চোখে দেখে নদী ও সাগরের ইলিশ আলাদা করা সম্ভব নয়।

এদিকে সামরাজ মৎস্যঘাটে প্রকাশ্যে সামুদ্রিক ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি ও দেশ-বিদেশে পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার গত ১৫ এপ্রিল থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা অনেক জেলেই মানছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বঙ্গোপসাগরজেলেইলিশনিষেধাজ্ঞাভোলা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise