Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ভোলা

ঝড়-বৃষ্টিতে রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি, বোরো ধান নিয়েও দুশ্চিন্তায় কৃষক

ভোলা প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১১:৩৫
ঝড়-বৃষ্টিতে রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি, বোরো ধান নিয়েও দুশ্চিন্তায় কৃষক

ভোলায় টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। ছবি: আগামীর সময়

ফসল ঘরে তোলার আগেই বৈশাখী ঝড় ও টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ভোলার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মুগ, সয়াবিন ও চিনাবাদামের। জেলার বিভিন্ন এলাকায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বোরো ধানও।

কৃষি বিভাগের হিসাবে, এ দুর্যোগে জেলায় ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২৬ কোটি ৪৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার ফসলের। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সরকারি সহায়তার আশায় দিন কাটছে তাদের।

সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও পানির নিচে ডুবে আছে মুগ ও সয়াবিন ক্ষেত, আবার কোথাও ঝড়ে নুয়ে পড়েছে পাকা ফসল। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় ফসল তুলতে পারছেন না অনেক কৃষক। কিছু এলাকায় তা পচে পরিণত হয়েছে গবাদিপশুর খাদ্যে। একই চিত্র শুধু ভোলা সদরে নয়, বেশিরভাগ উপজেলাতে।

সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কৃষক মো. শাহে আলম বলেছেন, ‘অনেক আশা নিয়ে এনজিও থেকে ঋণ করে মুগ আর সয়াবিনের আবাদ করেছিলাম। কয়েকদিন পর ফসল ঘরে তুলতাম। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে সব পানির নিচে চলে গেছে। এখন কীভাবে ঋণের টাকা শোধ করব, বুঝতে পারছি না।’

একই উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের কৃষক সিরাজ শিকদার জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে তার জমির মুগ ও চিনাবাদামের। নষ্ট হয়েছে কিছু বোরো ধানও। এখন পরিবার চালানো নিয়েই চিন্তায় কাটছে দিন।

ধনিয়া ইউনিয়নের আরেক কৃষক মো. কবিরের ভাষ্য, ‘ফসল ভালো হয়েছিল এবং লাভের আশাও ছিল। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে আমাদের মতো কৃষকদের পথে বসতে হবে।’

প্রকৃতির এই বৈরী পরিস্থিতিতে ভোলার কৃষকদের চোখ-মুখে এখন অনিশ্চয়তার ছাপ। ক্ষতি কাটিয়ে আবারও নতুন উদ্যমে মাঠে ফিরতে সরকারি সহযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে রবিশস্য এবং ৬০ হাজার ৫৪৫ হেক্টরে আবাদ হয়েছে বোরো ধানের। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৯১ হেক্টর জমির রবিশস্য ও ৯ হাজার ৮০ হেক্টরের বোরো ধান।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ড. শামীম আহমেদ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের। পাশাপাশি তাদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে।

কৃষিবোরো ধানকৃষকভোলাপ্রাকৃতিক দুর্যোগ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise