নেত্রকোনা
ঈদ বাজার ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি সিন্ডিকেট

সংগৃহীত ছবি
ঈদকে সামনে রেখে নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বেড়ে গেছে ভারতীয় পণ্যের চোরাচালান।
নিত্যনতুন কৌশলে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে আনা হচ্ছে চিনি, মসলা, শাড়ি, লুঙ্গি, কম্বল, প্রসাধনী, ভারতীয় মদ ও মাদকদ্রব্য। পরে এসব পণ্য জেলা শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকার ছোট-বড় হাটবাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে ওঠেছে অভিযোগ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, পূর্বধলা, শ্যামগঞ্জ ও জারিয়া বাজারকেন্দ্রিক কয়েকটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে চোরাচালান কার্যক্রম। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও কিছু এজেন্টের যোগসাজশে এসব পণ্য নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে বলেও রয়েছে অভিযোগ।
দুর্গাপুর ও পূর্বধলা থানা পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে অবৈধ মালামাল পরিবহন হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে। তবে সম্প্রতি কিছুটা বেড়েছে পুলিশি তৎপরতা। গত ৩ মে ভোরে ২১ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ শাহিন মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে পূর্বধলা থানা পুলিশ। পরদিন ৪ মে ২০ পিস ভারতীয় কম্বলসহ আটক করা হয় দুই নারীকে।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিন ভোরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিছু মানুষ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত যানবাহনে করে ভারতীয় পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন বাজারে।
জানা যায়, দুর্গাপুর-পূর্বধলা-ময়মনসিংহ এবং কলমাকান্দা-নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়ক ছাড়াও সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া হয়ে কাপাসিয়া এবং গোয়াতলা হয়ে হোগলা সড়ক চোরাচালানের নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ পণ্য প্রবেশ করায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
এ বিষয়ে পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বললেন, চোরাচালান প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে পুলিশ। এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে অব্যাহত থাকবে অভিযান।




