আগামীর সময়

‘চোখের সামনে বাসটি পদ্মায় পড়ে গেল, কিছুই করতে পারলাম না’

‘চোখের সামনে বাসটি পদ্মায় পড়ে গেল, কিছুই করতে পারলাম না’

সংগৃহীত ছবি

‘চোখের সামনে বাসটি পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে গেল, অথচ আমরা কিছুই করতে পারছিলাম না,’ গণমাধ্যমকে বলছিলেন দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন।

আজ বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এ সময় বাসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিল। তাদের মধ্যে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বহু হতাহতের আশঙ্কা করছেন দায়িত্বশীলরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া তিন নম্বর ফেরি ঘাটে নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষা করছিল ঢাকাগামী বাসটি। গাড়িটি প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে রাজবাড়ী ছেড়ে এসেছিল।

দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটার কিছু পর বাসটি তিন নম্বর ঘাটে আসে। তখন ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে পারেনি বাসটি। অপর ফেরির জন্য অপেক্ষায় ছিল।

‘সোয়া ৫টার দিকে ওই ঘাটে হাসনা হেনা নামের একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। সেই ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়’, বলছিলেন মনির হোসেন।

এদিকে বাসটি নদীতে পড়ে গেলেও কয়েকজন যাত্রী ওপরে উঠে এসেছেন। বাকিদের অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েছেন। বাস উদ্ধারে বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি এবং ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছে।

‘এ মুহূর্তে মন্তব্য করার মতো পরিস্থিতি নেই’ বলে গণমাধ্যমকে জানান দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা। তবে ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করেছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা।

    শেয়ার করুন: