Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

টাঙ্গাইল

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে স্কুল খোলা, এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৪
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে স্কুল খোলা, এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলে শহীদ অ্যাকাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রের ৬ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সাবালিয়া শাখায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মুহিদুল ইসলাম লামিত। সে ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের গোলাবাড়ি গ্রামের সুহেল রানার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলে রোজার মাসে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শহীদ অ্যাকাডেমিক স্কুল অ্যান্ড কলেজটি খোলা রাখা হয়েছে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুহিদুলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলছিলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ক্লাস খোলা রাখায় এত বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইতিপূর্বেও টাঙ্গাইলের একাধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হত্যাসহ একাধিক দুর্ঘটনা ঘটলেও তা ধামাচাপা পড়েছে।

পথচারী রাসেল মিয়া বলছিলেন, মুহিদুলের মৃত্যুর দায় প্রতিষ্ঠান এড়াতে পারে না। কারণ একজন অভিভাবক যখন আবাসিকে রেখে যায়, তখন ওই শিক্ষার্থীর দ্বায়বার ওই প্রতিষ্ঠানের। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

‘আমার ছেলে আমাকে অনেক সময় ফোন করে বলতো, স্কুলের সজীব স্যার ভালো না। সজীব স্যারের কারণেই আমি মারা যাবো। সজিব স্যারও আমাকে ফোন করে মুহিদুল বিষয়ে নানা অভিযোগ দিতো। আমি দোষী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি’, জানাচ্ছিলেন নিহতের মা লায়লা বেগম বেগম।

শহীদ একাডেমিক স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদুল আলম শহীদ জানাচ্ছিলেন, মুহিদুলের সাথে তার বাবা মার ঝগড়া হয়েছে। সে পালাতে গিয়ে ভবনের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছে।

‘স্কুল ও আবাসিক বন্ধ রাখলে অভিভাবকরা বেতন দেয় না। তাই শিক্ষার্থীদের বেতন তোলার জন্য সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছে’, উল্লেখ করেন তিনি।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলছিলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মর্গে গিয়ে মরদেহও দেখেছি। ছেলেটি মুখ থেঁতলে গিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটাঙ্গাইল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise