Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

১০ বছর পর একসঙ্গে ৭ সন্তানের জন্ম, বাঁচেনি কেউ

নড়াইল প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ০৫:১২
১০ বছর পর একসঙ্গে ৭ সন্তানের জন্ম, বাঁচেনি কেউ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

নড়াইলের সদর উপজেলার কালুখালী গ্রামে এক গৃহবধূ একসঙ্গে জন্ম দিয়েছেন সাত সন্তান। তবে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় বাঁচানো সম্ভব হয়নি কোনো নবজাতককেই। ঘটনাটি এলাকায় সৃষ্টি করেছে ব্যাপক চাঞ্চল্যের।

সন্তানগুলোর মধ্যে ছিল চারটি ছেলে ও তিনটি মেয়ে। বর্তমানে যশোরে চিকিৎসাধীন আছেন নবজাতকদের মা সালমা বেগম।

পরিবারের ভাষ্য, বিয়ের ১০ বছর পর লুখালী গ্রামের ইজিবাইকচালক মহসিন মোল্যা ও তার স্ত্রী সালমা বেগমের সন্তান জন্ম নেয়। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতে ছয় সন্তানের অস্তিত্ব ধরা পড়লেও প্রসবের সময় ভূমিষ্ঠ হয় সাতটি সন্তান।

গত মঙ্গলবার রাতে প্রসববেদনা ওঠলে সালমাকে নেওয়া হয় যশোরের একটি হাসপাতালে। সেখানে প্রথমে জন্ম নেয় দুটি সন্তান। পরে বুধবার রাতে আরও পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই, প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসে সন্তানগুলোর জন্ম হওয়ায় তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সাত নবজাতককে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নবজাতকদের দাদি মঞ্জুরা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি সন্তানের অপেক্ষায় ছিল। হঠাৎ একসঙ্গে সাত সন্তানের খবর শুনে সবাই আনন্দিত হলেও শেষ পর্যন্ত কাউকে বাঁচানো যায়নি।

দাদা আব্দুল লতিফ মোল্যা বলেন, কয়েক বছর সৌদি আরবে ছিলেন তার ছেলে। দেশে ফিরে ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালাচ্ছিলেন তিনি। বিয়ের এক দশক পর সন্তানের মুখ দেখার আশায় ছিলেন সবাই। কিন্তু সন্তানদের হারিয়ে গভীর শোকে ভেঙে পড়েছে পরিবারটি।

স্থানীয় শিক্ষক আবু সেলিম জানান, সাত সন্তানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক কৌতূহল। তবে নবজাতকদের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের পরিবেশ।

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ইলা মণ্ডল বলেন, অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয় সালমা বেগমের সন্তানগুলো। প্রতিটি শিশুর ওজন ছিল প্রায় ২০০ গ্রাম। জন্মের সময় তাদের হৃদস্পন্দন থাকলেও শেষ পর্যন্ত কাউকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

নড়াইলশিশুমৃত্যু
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise