Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পদ্মায় বাসডুবি

শেষ নিশ্বাসেও একসঙ্গে সাম্য-অন্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ী
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১০
শেষ নিশ্বাসেও একসঙ্গে সাম্য-অন্তি

পদ্মায় বাসডুবিতে ঝরে গেল দম্পতির তরতাজা প্রাণ, ভেঙে দিল কাজী সাম্য সাইফ ও তার স্ত্রী জহুরা অন্তির নবগড়া সংসার। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এ দম্পতি। মাত্র এক বছরের দাম্পত্য জীবন হাসি, স্বপ্ন আর ভবিষ্যতের সব পরিকল্পনা এক নিমিষেই তলিয়ে গেল পদ্মার অন্ধকার জলে।

জানা যায়, কাজী সাম্য সাইফ রাজবাড়ী শহরের মহিলা কলেজের পেছনের এলাকার বাসিন্দা। ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী জহুরা অন্তি ছিলেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। চলতি ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ি গিয়েছিলেন রাজবাড়ীতে। বুধবার বিকেলে ঢাকায় ফেরার পথে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসে ওঠেন তারা। রাজবাড়ী থেকে প্রায় ৪৫ মিনিট পর দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা পদ্মায় পড়ে যায়। মুহূর্তেই সব শেষ, নদীর গহীনে হারিয়ে যায় দুটি প্রাণ, দুটি পরিবার, অসংখ্য স্বপ্ন। শোকে স্তব্দ গোটা এলাকা। বৃহস্পতিবার বাড়ির আঙিনায় পাশাপাশি রাখা হয় নবদম্পতির নিথর দেহ। মাঝখানে টাঙানো পর্দা ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী আলাদা রাখা হয় অন্তির মরদেহ। এক পাশে সাম্য, অন্য পাশে অন্তি—কিন্তু আর কোনোদিন একসঙ্গে কথা বলা হবে না তাদের।

স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশ। এক আত্মীয় বিলাপ করে বলছিলেন, আমার ভাই কত কথা বলত… এখন আর কিছুই বলে না। সাম্য ছিলেন তার বাবা কাজী মুকুলের একমাত্র সন্তান। ছেলে ও পুত্রবধূকে একসঙ্গে হারিয়ে দিশেহারা তিনি। পরিবারের একমাত্র আলো নিভে যাওয়ায় এখন তার চারপাশ যেন শূন্য।

সাম্যের চাচা কাজী শহিদুল ইসলাম বলেছেন, আমার ভাইয়ের একটাই ছেলে ছিল। অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছে। ছেলেটা পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় চাকরি করছিল। অন্তিও ডাক্তারি পাস করে ইন্টার্নি করছিল। এক বছর আগে বিয়ে হলেও এ বছর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তোলে। তারপর ঢাকায় সংসার শুরু করেছিল… কে জানত, এটাই তাদের শেষ ঈদ, শেষ বাড়ি ফেরা!

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমার ভাই এখন একেবারে একা হয়ে গেছে… এমন শোক কোনো বাবা যেন না পায়। একটি সুন্দর সংসার, হাজারো স্বপ্ন, ভালোবাসার গল্প, সবকিছুই থেমে গেল দৌলতদিয়ার সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। রাজবাড়ীজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না সাম্য আর অন্তি আর কোনোদিন ফিরবে না।

নিহতপদ্মায় বাসডুবিসাম্য ও অন্তি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise