আগামীর সময়

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসে কুষ্টিয়ার ১২ যাত্রীর মধ্যে নিখোঁজ ৫

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসে কুষ্টিয়ার ১২ যাত্রীর মধ্যে নিখোঁজ ৫

সংগৃহীত ছবি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে চালক হেল্পারসসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিল।

বাসটি বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাস টার্মিনাল থেকে শিশুসহ ৮ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গিয়েছিল।

সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ। তিনি জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে শিশুসহ ৮ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়ে যায়। তার ভাষ্য মতে, এতে চালক, হেল্পারসহ মোট ৫০ জন ছিলেন। 

এদিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী বাস টার্মিনাল থেকে ওঠা ৮ জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭), ছেলে আবুল কাসেম সাফি (১৭) ও মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস (১২)। এর মধ্যে গিয়াস উদ্দিন রিপনের মেয়ে আয়েশা বিনতে গিয়াস এখনো নিখোঁজ রয়েছে। গিয়াস উদ্দিন ঢাকার তাকাওয়া ফুডের মালিক, তার বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সমসপুর এলাকায়।

অন্য যাত্রীরা হলেন, মো. নুরুজ্জামান সাহেদ (৩২), স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০), মেয়ে নাওয়ার আক্তার (৪) ও ৭ মাস বয়সী আরশান। এদের মধ্যে স্ত্রী আয়েশা আক্তার ও সাত মাস বয়সী মেয়ে আরশান নিখোঁজ রয়েছেন। মো. নুরুজ্জামান সাহেদ ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা খোন্দকবাড়িয়াতে।

অন্যদিকে, কুষ্টিয়ার খোকসা কাউন্টার থেকে ওঠেন খোকসার জানিপুর খাগরবাড়িয়ার প্রেমাংশু বিশ্বাসের ছেলে রাজিব বিশ্বাস (২৮), একই কাউন্টার থেকে ওঠেন খোকসার ধুসুন্ডু গ্রামের দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী (নাম জানা যায়নি) এবং ৩ বছরের ছেলে ইসরাফিল। এর মধ্যে দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইসরাফিল নিখোঁজ রয়েছে। এ ছাড়া রাজিব বিশ্বাসও নিখোঁজ রয়েছেন।

জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে শিশুসহ ৮ জন ও খোকসা থেকে ৪ জনসহ কুষ্টিয়া জেলা থেকে থেকে মোট ১২ জন যাত্রী বাসটিতে ওঠে। এর মধ্যে শিশুসহ ৫ জন নিখোঁজ রয়েছে।

    শেয়ার করুন: