Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পরিবার বাঁচাতে শরীরে ৮০ ছররা গুলি রিমনের

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ২২:১১
পরিবার বাঁচাতে শরীরে ৮০ ছররা গুলি রিমনের

রিফাত বিন রিমন। ছবি— আগামীর সময়

শটগানের প্রায় ৮০টি ছররা গুলি শরীরে নিয়ে তীব্র যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন রিফাত বিন রিমন। ১০ জন ডাকাতের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে তাদের গুলিতে আহত হন তিনি। এরপর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। ভারী ব্যান্ডেজ জড়ানো পা নিয়েই কাটছে তার জীবন।

রিফাত বরগুনার বেতাগী উপজেলার বেতাগী সদর ইউনিয়নের বেইলি ব্রিজ এলাকার মো. খলিলুর রহমানের ছেলে।

গত ১৫ মে রাতে এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. খলিলের বাড়িতে ডাকাতি হচ্ছিল।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গভীর রাতে প্রায় ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িটিতে হানা দেয়। রিফাত তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে লিপ্ত হন। দীর্ঘক্ষণ ধস্তাধস্তির পর তিনি ডাকাতদের মূল ঘর থেকে বের করে দিতে সক্ষম হন। তবে তিনি যখন ঘরের দরজা টেনে আটকাচ্ছিলেন, তখন ডাকাতরা দরজার ফাঁক দিয়ে শটগানের গুলি চালায়। গুলিটি সরাসরি রিমনের পায়ে লাগলে তিনি গুরুতর আহত হন।

পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরবর্তীতে তাকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বিডিএম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. জহির উদ্দিন একটি জটিল অস্ত্রোপচার করে তার পা থেকে ৩৮টি গুলি বের করতে সক্ষম হন। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আরও ৮০টি গুলি শরীরের ভেতরেই রেখে দিতে হয়।

রিমন বর্তমানে খিদমাহ হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের অর্থোপেডিক সার্জন ড. হাফিজুর রহমান মুজাহিদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। গভীর টিস্যুর ক্ষত না শুকানো এবং চামড়ার নিচে রয়ে যাওয়া গুলির কারণে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার পরিবারকে উন্নত ও বিশেষায়িত অস্ত্রোপচারের জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা রিমনকে এলাকার ‘সাহসী সন্তান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে মাঝরাতে একটি বড় সশস্ত্র দলের এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা ডাকাত চক্রকে অবিলম্বে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে রিমনের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আহত রিমনের মা রীনা বেগম বলছেন, ‘আমার ছেলে সাহস দেখিয়ে আমাদের বাঁচাতে নিজের গায়ে গুলি খেয়েছে। আমরা তার চিকিৎসার পেছনে বিপুল টাকা খরচ করছি, তবুও সে পুরো সুস্থ হওয়া থেকে অনেক দূরে।’

বেতাগী থানার ওসি মো. হারুন-অর-রশিদ হাওলাদার জানিয়েছেন, পুলিশ বিভাগ সার্বক্ষণিকভাবে রিমনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ রাখছে। এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে বিচারিক আদেশের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং ডাকাত চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ অভিযান চলছে।

ডাকাতিচিকিৎসা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise