Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশু: সেই মাদ্রাসাশিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬, ১৩:৫৮
ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশু: সেই মাদ্রাসাশিক্ষক তিন দিনের রিমান্ডে

ছবি: আগামীর সময়

নেত্রকোনার মদনে আলোচিত ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। তাকে আজ বৃহস্পতিবার জেলা অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে তিন দিনের রিমান্ডে দেন বিচারক মোহসিনা ইসলাম।

তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল কবীর রুবেল ও মদন থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম।

গত মঙ্গলবার দিবারাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১৪-এর একটি দল। গতকাল বুধবার আসামিকে হস্তান্তর করা হয় নেত্রকোনা পুলিশের কাছে।

গ্রেপ্তার আমান উল্লাহ মদনের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক। তার বাড়ি উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামে।

সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয় ওই মাদ্রাসার ১১ বছরের ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার খবর। গত ৩০ এপ্রিল আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন মেয়েটির মা। তবে ১৮ এপ্রিল থেকে আত্মগোপনে ওই শিক্ষক।

মঙ্গলবার ভোররাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ময়মনসিংহের গৌরীপুরের আত্মীয়ের বাড়ি থেকে। র‍্যাব-১৪ ময়মনসিংহের অধিনায়ক নয়মুল হাসান জানান, গ্রেপ্তার এড়াতে কয়েকবার অবস্থান পরিবর্তন করেছিলেন আমান উল্লাহ।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মেয়েটির বাবা বেঁচে নেই। মা কাজের জন্য থাকেন সিলেটে। মদনে নানাবাড়িতে থেকে সে পড়ত ওই মাদ্রাসায়। গত বছরের নভেম্বরে শিক্ষক আমান উল্লাহ মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। ভয় দেখান প্রাণনাশের। অসুস্থ বোধ করায় পাঁচ মাস ধরে মাদ্রাসায় যায়নি শিশুটি। শারীরিক পরিবর্তনের খবরে সিলেট থেকে আসেন মা। এরপরই জানা যায় ধর্ষণের ঘটনা।

১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরে একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তার আল্ট্রাসনোগ্রাফির ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন চিকিৎসক সায়মা আক্তার। ভাইরাল হয় সেটি, ফেসবুকে ওঠে সমালোচনার ঝড়।

সোমবার রাতে ফেসবুকে ভিডিও বার্তা পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি।

এদিকে, ধর্ষণ মামলার সাক্ষী ও চিকিৎসক সায়মা নিরাপত্তা চেয়ে মদন থানায় করেছেন সাধারণ ডায়েরি (জিডি)। তাতে উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করে ধর্ষণের সত্যতা নিশ্চিত করা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এমনকি সামাজিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি ভুগছেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

নেত্রকোণাশিশু ধর্ষণমাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণমাদ্রাসা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise