Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

পাকা রাস্তার অপেক্ষায় ৪০ হাজার মানুষ

সামিয়ান হাসান, বিয়ানীবাজার (সিলেট)
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০১
পাকা রাস্তার অপেক্ষায় ৪০ হাজার মানুষ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সড়কটি কোথাও কাদায় ডুবে আছে, কোথাও আবার তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বর্ষায় কাদার কারণে প্রায় বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। শুকনো মৌসুমে হেঁটে চলাচল করতে হয় কোনো রকমে। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে ভরসা কখনো টেলাগাড়ি, কখনো মানুষের কাঁধ। এমন দুর্ভোগ নিয়েই বছরের পর বছর পার করছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের শিকপুর-ঘাঘুয়া এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, উপজেলা ও জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ সড়কই তাদের প্রধান ভরসা। কিন্তু কয়েক কিলোমিটার সড়ক এখনো পাকা না হওয়ায় প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগী ও কর্মজীবী মানুষ। বর্ষায় দুর্ভোগ আরও চরমে ওঠে।

শিকপুরের বাসিন্দা মুজিবুর রহমান বলেছেন, ‘বছরের পর বছর এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি। কাদামাটির কারণে কোনো যানবাহন এলাকায় আসতে চায় না। অসুস্থ কাউকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।’

কলেজছাত্রী মান্নি আক্তার বলেছেন, ‘কলেজে যেতে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে মূল সড়কে গিয়ে গাড়িতে উঠতে হয়। বেহাল রাস্তার কারণে আমাদের এলাকায় কোনো গাড়ি আসতে চায় না।’ শিক্ষার্থী ছামিউল আলমের ভাষ্য, বৃষ্টির দিনে স্কুলে যাওয়ার সময় রাস্তায় পিছলে পড়ে প্রায়ই পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। তখন বাড়ি ফিরে পোশাক পরিবর্তন করে আবার স্কুলে যাওয়ার সময় থাকে না।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, এ এলাকায় প্রচুর সবজি উৎপাদন হয়। কিন্তু যোগাযোগব্যবস্থা খারাপ হওয়ায় উৎপাদিত সবজি বাজারে নিতে বেড়ে যায় পরিবহন খরচ। ফলে বাধ্য হয়ে কম দামে পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে হয়। এতে সবজি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেক কৃষক।

প্রবীণ কৃষক আবদুস সাত্তার বললেন, ‘রাস্তার কারণে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাই না। এভাবে লোকসান হলে কৃষকরা চাষাবাদ ছেড়ে দেবেন।’

স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর ধরে তারা সড়কটি পাকা করার জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন। ২০১৯ সালে সড়ক নির্মাণের জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়েছিল। এরপর উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে কাজ আর এগোয়নি। মাটি ভরাট না হওয়ায় সড়ক নির্মাণের প্রক্রিয়া থেমে আছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কামরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো বক্তব্য দেননি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে দ্রুত সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। তাদের মতে, একটি পাকা সড়ক শুধু যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করবে না, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণেও বড় পরিবর্তন আনবে।

বিয়ানীবাজারসিলেটপাকা রাস্তা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise