কাঁচাই রয়ে গেল পেকুয়ার টেকপাড়া-বিলহাসুরা সড়ক

ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার পূর্ব গোঁয়াখালীর টেকনাফ থেকে বিলহাসুরা সড়ক। যুগের পর যুগ পার হলেও কাঁদা সড়কটি পাকা হয়নি। তিন কিলোমিটার এ সড়ক দিয়ে চলাচল করা হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দিয়ে হাঁটাচলাও করা যায় না। খানাখন্দে ভরা এ সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বর্ষায় কাঁদা ও গ্রীষ্মে ধুলাবালি মাড়িয়ে চরম ভোগান্তিতে বছর পর বছর জীবন পার করছেন এ অঞ্চলের মানুষ। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরে ঘুরেও সড়কটির সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৯৯০সালে একটি ছোট রাস্তা দিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ চলাচল করতেন। এরপর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রাস্তাটি সংষ্কার ও প্রশস্ত করা হয়। সময়ের সঙ্গে পূর্ব গোঁয়াখালী ও বিলহাসুরা গ্রামে মানুষের জনবসতি বেড়েছে। মানুষের চলাচল বাড়লেও সড়কটিতে কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কটির একাংশ ইট বসানো ছিল। সড়কটির খলিলুর রহমান জামে মসজিদের অদূওে কালভার্ট থেকে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক কাঁচা পড়ে আছে।
বিলহাসুরার জসিম উদ্দিন বলেছেন, ‘এ অঞ্চলে জনবসতি ছিল কম। গত ২০ বছরের এখানে কয়েক শ বাড়িঘর করে মানুষ বসতি গড়ে তুলেছেন। এখানে আগে ছোট একটি রাস্তা ছিল। সেটি প্রশস্ত করা হলেও, কিন্তু পাকা করা হয়নি। বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়। এ ছাড়া স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা খুবই কষ্ট করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা-যাওয়া করে।’
স্কুলছাত্রী রোজিনা আক্তার গত বর্ষা মৌসুমে কাঁদার কারণে স্কুলে যেতে পারেনি জানিয়ে বলেছে, ‘বর্ষা মৌসুম আসলে হাঁটুসমান কাঁদা হয়। কোনো কোনো জায়গায় কাঁদার মধ্যে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। গ্রীষ্মে ধুলাবালির কারণে মুখে কাপড় চেপে ধরে স্কুলে যেতে হয়। এতে কাপড়ের ধুলার আস্তর জমে যায়।’
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিউডি) পেকুয়া কার্যালয়ের প্রকৌশলী রবিউল হোছাইন জানালেন, ‘এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। সঠিকভাবে সড়কটি চিনতে পারছি না। তবে খোঁজখবর নিয়ে সড়কটি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



