পিকনিকে গিয়ে তুরাগে মৃত্যু, নিষিদ্ধ আ. লীগের দাবি ‘কর্মীকে হত্যা’

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে গিয়ে নিখোঁজ সুমন (১৭) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সাভারের আশুলিয়া বাজার সংলগ্ন তুরাগ নদী থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, নিহতের ভাই সালাউদ্দিন বলেছেন গত ২২ জুন থেকে সুমন নিখোঁজ ছিল। তারা জানতে পারেন কিছু লোক সুমনকে নৌকাভ্রমণে নিয়ে যায়। নৌকায় হুড়োহুড়ো করতে গিয়ে সুমন পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানায় পানিতে ডুবে তলিয়ে যায় সে। পরবর্তীতে তার মরদেহ পানিতে ভেসে উঠলে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে আশুলিয়া থানার ওসি আরো উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে আজ শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়, তুরাগ নদী থেকে তিনটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও সাতজন। একই সঙ্গে এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচির সম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রচার করা হয়।
তবে এসব দাবির পক্ষে নিহত বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয়, ঘটনার নির্দিষ্ট স্থান, সময় কিংবা কোনো সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
তুরাগ নদী-সংলগ্ন থানাগুলোতে খোঁজ নিয়ে এমন কোনো লাশ উদ্ধারের ঘটনা বা সাতজন নিখোঁজ থাকার তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে টঙ্গী নৌফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজ উদ্দিন বললেন, তুরাগ নদী থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের কোনো তথ্য আমার জানা নেই। একটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা আছে। সেটা আশুলিয়া বা আমিন বাজার এলাকার।
অভিযোগ উঠেছে, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সমর্থক কিছু ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব যাচাইবিহীন তথ্য ও পুরোনো ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে। এসব করে তারা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন তুরাগ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বললেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে ধরনের পোস্ট করা হচ্ছে এটা গুজব। গতকাল আশুলিয়া থানায় সুমন নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।




