সম্পদের তথ্য গোপন, সাবেক পিআইওর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
গাজীপুরের শ্রীপুরের সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এস এম ওমর আলীর বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার বিরুদ্ধে ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ১ কোটি ৬২ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ শনিবার দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ইব্রাহিম খলিল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এস এম ওমর আলীর বিরুদ্ধে বৈধ আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-২। সে বছরের ২ ডিসেম্বর তিনি তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণী এবং আয়ের উৎস-সংক্রান্ত তথ্য নির্ধারিত ছকে দাখিল করেন।
পরে দুদকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ইব্রাহিম খলিল তাঁর সম্পদ বিবরণী তদন্ত করেন। তদন্তে ২০১৯-২০২০ করবর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী, ওমর আলী তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা দেখান। তবে দুদকের তদন্তে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ পাওয়া যায় ২ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ টাকা। এতে ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের বিষয়টি উঠে আসে।
তদন্তে আরও জানা যায়, তার নীট আয় ৮৭ লাখ ৭৬ হাজার ৮১ টাকা। এর বিপরীতে তিনি বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১ কোটি ৬২ লাখ ৭৯ হাজার ৪৬ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সম্পদের তথ্য গোপন এবং বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
দুদকের ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সম্পদের তথ্য গোপন ও বৈধ আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম ওমর আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।




