সাতছড়ির জঙ্গলে মিলল মাটিতে পুঁতে রাখা অস্ত্র
- এ নিয়ে সংরক্ষিত এই বনাঞ্চলে নবমবারের মতো অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটল

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি। সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ নিয়ে সংরক্ষিত এই বনাঞ্চলে নবমবারের মতো অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটল।
আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানিয়েছে বিজিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের বনাঞ্চলের মাটির নিচে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুকিয়ে রেখেছিল অপরাধীরা। জায়গাটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার ভেতরে। ভোরে অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে অস্ত্রগুলো কারা সেখানে মজুত করেছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বিজিবি হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে অপরাধীরা এসব অস্ত্র সেখানে মজুত করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কীভাবে অস্ত্রগুলোর সন্ধান পাওয়া গেল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সাতছড়ি বনাঞ্চলে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা নতুন নয়। ২০১৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে র্যাব, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আট দফা অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানে কামানবিধ্বংসী রকেট, রকেট চার্জার, রকেট লঞ্চার, মেশিনগান, এসএলআর, অটোরাইফেল, এসএমজি, এলএমজি, থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল, বিভিন্ন ধরনের ম্যাগাজিন ও গুলি, মেশিনগানের খালি ব্যারেল, অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট, রকেট লঞ্চারের শেল, রাবার বুলেট, বেল্ট, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেডিওসহ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
সংরক্ষিত এই বনাঞ্চল থেকে ধারাবাহিকভাবে অস্ত্র উদ্ধারের পরও এসব অস্ত্রের উৎস নিয়ে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। কোথা থেকে এসব অস্ত্র এসেছে, কারা দীর্ঘদিন ধরে বনকে অস্ত্রের গোপন ভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহার করছে, তা এখনো অজানা।







