আগামীর সময়

মাতৃভূমি ও দেশকে রক্ষা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

মাতৃভূমি ও দেশকে রক্ষা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে : ভূমিমন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে পারায় মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, মাতৃভূমিকে রক্ষা করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকালে রাজশাহী মহানগরীর হজরত শাহ্ মখদুম (রহ.) দরগাহ মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি দেশের অগ্রগতির জন্য ঈদের ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এবার বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঐতিহ্যবাহী শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে নামাজ আয়োজন সম্ভব না হওয়ায় দরগাহ মসজিদেই প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় একই স্থানে দুটি জামাতের আয়োজন করা হয়। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল পৌনে ৯টায়।

প্রথম জামাতে অংশ নেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার অসংখ্য মুসল্লি।

ঈদের প্রথম জামাতে ইমামতি করেন দরগাহ মসজিদের পেশ ইমাম মুস্তাফিজুর রহমান কাসেমী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করেন মুফতি মহিবুল্লাহ। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ভূমিমন্ত্রীসহ সিটি করপোরেশন ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে মহানগরীর সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনাগুলোকে বিশেষভাবে সজ্জিত করা হয়।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা, শিশুকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঈদের এই আয়োজন রাজশাহীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

    শেয়ার করুন: