Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ফুটপাত থেকে বিপনী বিতান, জমজমাট বরিশালে ঈদের কেনাকাটা

বরিশাল ব্যুরো
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০০:১৯
ফুটপাত থেকে বিপনী বিতান, জমজমাট  বরিশালে ঈদের কেনাকাটা

ছবিঃ আগামীর সময়

রমজানের শেষ দিকে বরিশালে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। নগরীর বিপণি বিতানকেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। শুধু বিপণি বিতানই নয়, ফুটপাতের অস্থায়ী পোশাকের দোকানিদেরও এখন বিশ্রামের সময় নেই। সকাল থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা।

বরিশাল নগরীর চকবাজার, কাটপট্টি, পদ্মাবতী, গির্জা মহল্লা, বাজার রোড, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক, কবি জীবনানন্দ দাশ সড়ক, পুলিশ লাইন রোড ও বিএম কলেজ রোডসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় এখন কেনাকাটার জোয়ার বইছে। এসব এলাকার পোশাকের দোকানগুলোতে চলছে দেদার বিক্রি। এছাড়া নগরীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন মার্কেট ও সিটি মার্কেটেও ঈদ কেনাকাটায় উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

নগরীর চকবাজার এলাকার অর্ধশতাধিক বিপণি বিতানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মানুষের ভিড় লেগেই থাকে।

বিপণি বিতানের মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবার ভারতীয় শাড়ির পাশাপাশি ক্রেতাদের ঝোঁক বেশি ঢাকাইয়া জামদানির দিকে। স্বদেশী বস্ত্রালয়ের গোবিন্দ সাহা বলেন, এবারের ঈদ বাজারে ঢাকাইয়া জামদানি ছাড়াও টাঙ্গাইলের জামদানি, হাফ সিল্ক, ফুল সিল্ক ও তাঁতের শাড়ি বেশ জনপ্রিয়। ঢাকাইয়া জামদানি শাড়ি ২ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। টাঙ্গাইলের জামদানি বিক্রি হচ্ছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দরে। দেশি শাড়ির দাম রয়েছে ২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে।

চকবাজারের পালকি বস্ত্রালয়ের তাপস ভূঞা বলেন, দেশি শাড়ির পাশাপাশি ভারতীয় কাঞ্চিবরম ৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা, বেনারসি ৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা, তানাবানা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা এবং সিল্ক কাতান ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ভারতীয় থ্রি পিস বিবেক ২ হাজার ২০০ টাকা এবং রাখি সিল্ক ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু দেশি ও ভারতীয় নয়, এবারের বাজারে পাকিস্তানি থ্রি পিসেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা ৪ থেকে ১০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বরিশালে।

চকবাজারে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা নগরীর আমির কুটির এলাকার বাসিন্দা সিলভিয়া যুথী বলেন, ১৫ রমজানের পর থেকেই ঈদের শপিং শুরু করেছি। কেনাকাটা এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। নিজের জন্য শাড়ি, জুতা ও থ্রি পিস কিনেছি। পরিবারের সবার জন্যও কেনাকাটা হয়ে গেছে, শুধু বাচ্চাদের পোশাক বাকি আছে। শাড়ি ও থ্রি পিসের দাম মোটামুটি ঠিক থাকলেও বাচ্চাদের পোশাকের দাম একটু বেশি মনে হয়েছে। তাই একটু ঘুরে দেখে কেনার চেষ্টা করছি।

বাজার রোডে কেনাকাটা করতে আসা মারুফা সিদ্দিকা বলেন, এখানে শাড়ির দাম তুলনামূলক কম মনে হয়। তাই বাজার রোডে কেনাকাটা করতে এসেছি। সবে এসেছি, চেষ্টা করব দুই-তিন দিনের মধ্যে কেনাকাটা শেষ করতে।

বরিশাল চকবাজার-কাটপট্টি-পদ্মাবতী ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মৃণাল কান্তি সাহা বলেন, ১০ রমজানের পর থেকেই মানুষ ঈদের কেনাকাটা শুরু করেছে। এখন সবারই ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলছে, যা চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে। শুধু বরিশাল নয়, পুরো বিভাগের মানুষ ঈদের কেনাকাটা করতে বিভাগীয় শহরে আসে। সে অনুযায়ী বেচাকেনার চাপও বেশি থাকে।

অন্যদিকে পুরুষদের পোশাকের জন্য বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম, মহসীন মার্কেট, সিটি মার্কেট, পুলিশ লাইন রোড ও বিএম কলেজ রোড এলাকার পাইকারি পোশাকের দোকানগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদ বাজার করছেন বলে জানিয়েছেন অনেক ক্রেতা।

এদিকে ফুটপাতের বেচাকেনাও থেমে নেই। বিশেষ করে শিশুদের পোশাকের রমরমা বিক্রি চলছে এসব দোকানে। এবারের বিক্রিতে খুশি ফুটপাতের পোশাক বিক্রেতারাও।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে নগরীর জনবহুল এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। চকবাজারসহ কয়েকটি এলাকায় সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ঈদের কেনাকাটা করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

বরিশালঈদ বাজার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise