Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ঈদযাত্রায় উত্তরের ১৩ স্পটে যানজটের আশঙ্কা

আবু জুবায়ের উজ্জল, টাঙ্গাইল
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১৩:২৬
ঈদযাত্রায় উত্তরের ১৩ স্পটে যানজটের আশঙ্কা

আসন্ন ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যানজটের আশঙ্কা করছেন পরিবহনচালক, যাত্রী ও স্থানীয়রা। বিশেষ করে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার মহাসড়কের চার লেন উন্নয়নকাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষ। জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের কাজ শেষ হওয়ায় ওই অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশে চলমান উন্নয়নকাজ নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার মহাসড়কের প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেনের কাজ এখনো চলমান।

যানজটের ঝুঁকিতে থাকা স্থানগুলো হলো মির্জাপুরের হাটুভাঙ্গা, মির্জাপুর শহরের আঞ্চলিক সড়ক, পাকুল্ল্যা, করটিয়া বাইপাস, আশিকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাস, ঘারিন্দা ওভারব্রিজ, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, এলেঙ্গার ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়ক, এলেঙ্গা-ভুয়াপুর আঞ্চলিক সড়ক, জোকারচর, যমুনা সেতু গোলচত্বর এবং যমুনা সেতু এলাকা।

পরিবহনচালকদের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি ও তদারকির ঘাটতির কারণে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। এতে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদযাত্রায় তৈরি হয়েছে দুর্ভোগের আশঙ্কা।

যাত্রীদের ভাষ্য, ‘মহাসড়কে কার্যকর তদারকি থাকলে প্রতিবছর একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হতো না। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।’


আরও পড়ুন

আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের কিছুই জানায়নি

১৫ মে ২০২৬

জোকারচর এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, ‘যমুনা সেতু গোলচত্বর, এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস ও আশিকপুর বাইপাস এলাকায় প্রতিবছর যানজটের সৃষ্টি হয়। তার মতে, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, যাত্রী ওঠানামা এবং অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এ সমস্যার মূল কারণ।’

স্থানীয় বাসিন্দা সিদ্দিক হোসেনের ভাষ্য, ‘স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ হাজার যানবাহন চলাচল করে, ঈদের সময় সেখানে প্রায় ৫০ হাজার যানবাহন মহাসড়কে ওঠে। অতিরিক্ত চাপই বড় ধরনের যানজট তৈরি করে।’

এই রুটে বাস চালান সোহেল। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ফিটনেসবিহীন যানবাহন বিকল হলে তা সরাতে দীর্ঘ সময় লাগে। এতে মুহূর্তেই কয়েক কিলোমিটার যানজট তৈরি হতে পারে।’ তাই ঈদের সময়ে এসব যানবাহনের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপের দাবি জানালেন তিনি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মিজান তুলে ধরেন, ‘ছোট যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং তেল পাম্প এলাকায় যত্রতত্র পার্কিংও যানজটের অন্যতম কারণ।’

মিনিবাস মালিক আব্দুল লতিফ মনে করেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একযোগে ছুটি ঘোষণার কারণে একই সময়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়েন। এতে মহাসড়কে চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।’

নিকরাইলের মোনায়েম মাস্টারের মন্তব্য, ‘মহাসড়ক চার বা ছয় লেন হওয়াই একমাত্র সমাধান নয়। ঈদের সময় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং যমুনা সেতুর সীমিত ধারণক্ষমতাও যানজটের বড় কারণ।’

আব্দুল মোনায়েম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার রবিউল আউয়াল জানালেন, ঈদযাত্রাকে সামনে রেখে মহাসড়কের দুই পাশের চার লেন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। তার আশা, এতে বড় ধরনের যানজট হবে না।


আরও পড়ুন

কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন দীঘি

১৬ মে ২০২৬

যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন উল্লেখ করেছেন, ‘ঈদে সেতুর দুই প্রান্তে ৯টি করে টোল বুথ চালু থাকবে। মোটরসাইকেলের জন্যও আলাদা বুথ রাখা হবে।’

এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. শরীফ জানালেন, কোরবানির পশুবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়ানো হবে নজরদারি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানালেন, যানজট নিরসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী দলও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise