গাজীপুরে ৫ খুন
মরদেহের পাশে ‘জিডির কপিতে’ নানা অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি
স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত মো. ফোরকান মিয়া। তিনি বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার উদ্দেশে একটি ‘সাধারণ ডায়েরি’ (জিডি) লিখেছিলেন। কিন্তু সেটি থানায় জমা দিয়েছিলেন কিনা এ বিষয়ে জানা যায়নি। গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ওই ৫ মরদেহের পাশ থেকে শনিবার (৯ মে) সকালে স্বাক্ষরবিহীন কম্পিউটার টাইপ করা ‘জিডির’ কাগজটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, কাগজটিতে ফোরকান তার স্ত্রী শারমিন খানম, শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, স্ত্রীর মাধ্যমে তার শ্বশুর বিভিন্ন সময়ে ১০ লাখ টাকা নিয়ে জমি কিনেছেন। টাকা ফেরত চাইলে তাদের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয়।
লেখা কাগজটিতে আরও দাবি করা হয়, গত ৩ মে তাকে বাসায় আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্ত্রী শারমিনের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও তোলা হয়। ফোরকান উল্লেখ করেন, স্ত্রীর পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় গত রোববার তাকে বাথরুমে আটকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহত শারমিন খানমের পরিবারের সদস্যরা।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম জানিয়েছেন, মরদেহের পাশ থেকে কম্পিউটারে টাইপ করা একটি কাগজ উদ্ধার করা হয়েছে, যা গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসির বরাবর জিডির আবেদন হিসেবে লেখা। সেটি থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে এন্ট্রি হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ফোরকানকে গ্রেপ্তারে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।




