Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

লক্ষ্মীপুরে হামলায় আহত মেয়েরও মৃত্যু, অভিযুক্তসহ নিহত ৫

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১৭:৩৪
লক্ষ্মীপুরে হামলায় আহত মেয়েরও মৃত্যু, অভিযুক্তসহ নিহত ৫

রায়পুরে হত্যার শিকার মা-মেয়েদের বাড়ির সামনে লোকজনের জটলা। ছবি: আগামীর সময়

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার শিকার শাহিনুরের আহত মেয়েও মারা গেছে। হামলার পরপরই নিহত হন শাহিনুর ও তার অন্য দুই মেয়ে। আর এলাকাবাসীর মারধরে আহত সন্দেহভাজনের মৃত্যু হয় হাসপাতালে। 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোডে ঘটনাটি ঘটে। 

নিহতরা হলন, শাহিনুর বেগম (৩৮) ও তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। এর মধ্যে ইকরার মৃত্যু হয় ঢাকায় নেওয়ার পথে। রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম নিশ্চিত করেছেন এসব তথ্য। 

হামলায় অভিযুক্তের নাম অন্তর মজুমদার। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অরূপ পাল। জানালেন, মারধরে গুরুতর আহত অন্তরকে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। তখনই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

লক্ষ্মীপুরে মা-দুই মেয়ে হত্যা : মারধরে নিহত অভিযুক্তও

২৫ জুন ২০২৬


স্থানীদের বরাতে থানা পুলিশ জানায়, তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে গোডাউন রোডের ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন শাহিনুর। তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান কয়েক বছর আগে। তাদের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। তাদের ছেলে সিফাত হোসেন কাজ করেন শহরের হায়দার ট্রেডার্স নামের দোকানে। বড় মেয়ে সায়মা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। ছোট শিফা পড়ত স্থানীয় স্কুলে। ইকরা ছিল রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

অভিযুক্ত অন্তর ওই বাড়িতে আগে ভাড়া থাকতেন। মাস দুয়েক আগে অন্য বাড়িতে চলে যান তিনি।  

ঘটনাস্থলে কথা হয় নিহত শাহিনুরের ছেলে সিফাতের সঙ্গে। ‘সকালে আমি দোকানে চলে যাই। সেখানে থেকেই খবর পাই আমাদের বাসায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। ছুটে এসে দেখি আমার মা ও বোনদের এই অবস্থা।’

সন্দেহভাজন হামলাকারী অন্তর

প্রতিবেশী রানী বেগমের বর্ণনা, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিৎকারের শব্দ শুনে আমি শাহিনুরদের জানালায় উঁকি দেই। দেখি ভেতরে একজন ঘোরাফেরা করছেন। আমি তার কাছে পরিচয় জানতে চাই। সে বলে বাসার ট্যাপ মেরামত করতে আসছে। ভেতরে ভালোভাবে তাকিয়ে দেখি মা-মেয়েরা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।’  

রানীর চিৎকারে জড়ো হন আশপাশের লোকজন। তারা বাড়ির কলাপসিবল গেট বন্ধ করে খবর দেন পুলিশে। 

প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বললেন, ‘ওই ছেলে চারতলার ছাদ থেকে পাইপ বেয়ে পাশের টিনের ঘরের চালায় নেমে লুকিয়ে ছিল। আমি ও আরও একজন গিয়ে হাত বেঁধে তাকে নীচে নামাই। এরপর লোকজন তাকে মারধর করে।’


আরও পড়ুন

‘মেয়ে হলে রাখব না’ নবজাতক কন্যা রেখে পালাল বাবা

২১ এপ্রিল ২০২৬

রায়পুর থানার ওসি শাহিন মিয়া জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে তোপের মুখে পড়ে থানা-পুলিশ। স্থানীয়দের ছোড়া ইটপাটকেলে আহত হয়েছেন তাদের সাতজন। এরপর মা-তিন মেয়ে ও অন্তরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

চিকিৎসক শাহিনুর, সায়মা ও শিফাকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় ইকরাকে।

শাহিনুর ও তার মেয়েদের দেহে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত আছে বলে জানালেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাহারুল। অভিযুক্তের মাথাতেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখেছেন তিনি।

এই চিকিৎসক জানালেন, ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায় ইকরার।

লক্ষ্মীপুররায়পুরমা-মেয়ে হত্যাহত্যা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise