Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ে সরকারি বনভূমি দখলের অভিযোগ

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ২১:৩৫
ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ে সরকারি বনভূমি দখলের অভিযোগ

ছবি: আগামীর সময়

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়সংলগ্ন বড় রাংটিয়া এলাকায় সরকারি বনভূমি দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণের ফলে দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে সরকারি বনভূমি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল বন বিভাগের জমি দখল করে বসতঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে। সর্বশেষ বুধবার (৩ জুন)ও বনভূমিতে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, বনভূমি দখলের পাশাপাশি কিছু এলাকায় বন উজাড় করে বালু ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। পরে সেখানে কাঁচা ও আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে বনাঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ছে বলে তাদের আশঙ্কা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাংটিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিমের জ্ঞাতসারেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তারা দাবি করেন, বন বিভাগের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম জানান, তিনি বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তার ভাষ্য, অবৈধভাবে ঘর নির্মাণকারীরা আগামীকালের মধ্যে স্থাপনা অপসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সে কারণে বন বিভাগ তাদের কিছু সময় দিয়েছে।

এদিকে প্রকৃতিপ্রেমী ও পরিবেশবাদীরা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সরকারি বনভূমি দখল এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের ফলে শুধু রাষ্ট্রীয় সম্পদই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, একই সঙ্গে পাহাড়ি বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

তারা বনভূমি রক্ষায় প্রশাসন ও বন বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


ঝিনাইগাতীসরকারি বনভূমিদখল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise