বরিশাল
স্থায়ীভাবে বন্ধ অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা, কর্মহীন ৩০০ শ্রমিক

ছবি: আগামীর সময়
ক্রমাগত ব্যবসায়িক লোকসান, কাঁচামাল এবং ডলার-এলসি সংকটে বরিশালের অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেড স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন এক মাস ধরে বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে এক নোটিশে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ১৩ জুন থেকে প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
নোটিশে বলা হয়, উৎপাদন বন্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত সব শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। সকল শ্রমিক তাদের পাওনা পেয়ে যাবেন যথা সময়ে।
অলিম্পিক সিমেন্ট ও ফাইবার লিমিটেড শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিকা রহমান স্বাক্ষরিত নোটিশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নগরীর রূপাতলীতে অবস্থিত কারখানাটি বাজারে এ্যাংকর সিমেন্ট নামে পরিচিত। বরিশালে ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান না থাকায় হাতে গোনা কয়েকটি মাঝারি-ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এটি ছিল একমাত্র সিমেন্ট কারখানা। সেখানে তিন শতাধিক শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কর্মসংস্থান ছিল। অলিম্পিক সিমেন্ট কোম্পানি বরিশালের অন্যতম ব্যবসায়ী পরিবার খান সন্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।
কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের বরিশালের সমন্বয়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলছিলেন, আসলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে। এ কারণে উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ শ্রমিক কর্মরত।
মালিকানা পরিবর্তন হলে পরবর্তী মালিককে এসব শ্রমিককে কাজে নিযুক্তির নিশ্চয়তা দিতে হবে। শ্রমিকদের পাওনা কতদিনের মধ্যে পরিশোধ করা হবে সে বিষয়েও নিশ্চয়তাও দিতে হবে, যোগ করেন মনীষা চক্রবর্তী।




