টায়ারের প্রস্তাবিত ভ্যাট ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি

চট্টগ্রাম টায়ার টিউব ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন— আগামীর সময়
উচ্চ শুল্ক সুবিধা নিয়ে দেশের কয়েকটি টায়ার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অস্বাভাবিক মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রামের টায়ার আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় উৎপাদকদের স্বার্থ রক্ষার নামে প্রস্তাবিত নতুন শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।
আজ বৃহস্পতিবার নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরে ‘চট্টগ্রাম টায়ার টিউব ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ’। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ।
এতে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ টায়ার-টিউব ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমইএ) সরকারকে বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে আরও বেশি শুল্ক আদায়ের দাবি করছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে লাইট ট্রাক টায়ারের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং কৃষি টায়ারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হলে এর প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষকে ভোগাবে।
দেশীয় টায়ারের মূল্য নির্ধারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে একটি বহুল ব্যবহৃত মিনিবাস টায়ারের মূল্য ভ্যাটসহ প্রায় ১২ হাজার ১৭ টাকা হলেও একই ধরনের দেশীয় টায়ার বর্তমানে বাজারে প্রায় ১৬ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কৃষি টায়ারের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাবেরও কঠোর সমালোচনা করেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, সার, ডিজেল, শ্রম ও যন্ত্রপাতির ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে থাকা কৃষকদের জন্য এটি নতুন করে বোঝা তৈরি করবে। শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবে।
সংবাদ সম্মেলনে লাইট ট্রাক টায়ারের ওপর প্রস্তাবিত ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক স্থগিত, কৃষি টায়ারের ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাতিলের দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনের সভাপতি মাঈন উদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, সহসভাপতি মোক্তার হোসেন, সহসভাপতি মো. সানাউল্লাহ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন।





