ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের জানাজায় বিএনপি ও জামায়াতের দুই নেতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা। এর মধ্যে নগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামের জন্য প্রয়াত মোশাররফ হোসেনের অবদান রয়েছে বলে তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগরের জামায়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় জামায়াত ইসলামীর নেতা ডা. এ কে এম ফজলুল হকও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছিলেন।
বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর দুই নেতা মোশাররফ হোসেনের জানাজায় উপস্থিত হওয়ার বিষয়টিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচার হিসেবেই দেখছেন উপস্থিত লোকজন। তাদের মতে, রাজনীতিতে যত মতভেদ থাকুক না কেন, পরস্পরের সুখ-দুঃখে সহাবস্থানও জরুরি।
জানাজা শুরুর আগ মুহূর্তে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর মেয়রকে বক্তব্য রাখার অনুরোধ জানানো হয়।
মেয়র শাহাদাত বলেছেন, ‘মেয়র হিসেবে, বিএনপির পক্ষ থেকে, বলা যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আমরা মনে করি, উনার অবদানের জন্য সবসময় স্মরণ রাখবে সবাই। এখানে যারা এসেছেন সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সবাই মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করেন আল্লাহ ওনাকে জান্নাতবাসী করুন।’
তবে মেয়র ডা. শাহদাত হোসেন ছাড়া আর বড় কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। জামায়াত নেতা ফজলুল হক উপস্থিত থাকলেও বক্তব্য রাখেননি।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির নেতা ও সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, সিপিবির সাবেক সভাপতি কমরেড শাহআলম বক্তব্য রাখেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় জ্যেষ্ঠ কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকে দেখা যায়নি। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ পালিতকে জানাজাস্থলে দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার বাদ আছর মিরসরাইয়ের গ্রামের বাড়িতে মোশাররফ হোসেনের শেষ দফা জানাজা হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জামায়াতের তেমন কোনো নেতা দেখা যায়নি।





