চট্টগ্রামে বেশি আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি, পতাকায় ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ

ছবি: আগামীর সময়
আর মাত্র ৩ দিন। বিশ্বের সবচেয়ে জমজমাট ও ব্যয়বহুল ক্রীড়া উৎসব শুরু হচ্ছে। যার নাম বিশ্বকাপ ফুটবল। এবার আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকো মিলেই এই আয়োজন। কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের এ উৎসবের আমেজ পেতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের ফুটবলপ্রেমীরা। তাদের মধ্যে প্রিয় দল, খেলোয়াড় নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। দল-খেলোয়াড় নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে চলছে তর্ক-বিতর্ক।
বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই আলাদা এক ধরনের আবেগ। বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে এই উৎসবের রঙ থাকে সবচেয়ে বেশি। এবার শুধু এ দুই দল নয়, ফ্রান্স-জার্মানি-স্পেন-পর্তুগাল সমর্থকদেরও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে ব্যাপক হারে। শুরু হয়েছে জার্সি ও পতাকা কেনার ধুম।
আজ সোমবার (৯ জুন) নগরীর কাজীর দেউড়ির স্টেডিয়াম মার্কেটের খেলার সামগ্রীর দোকানগুলোতে দেখা গেছে সমর্থকদের আনাগোনা।
আর্জেন্টিনা সমর্থক সুজন দাস জানান, বর্তমান খেলোয়াড়দের নিয়ে ব্রাজিলের কাপ জিততে আরো সময় লাগবে। তিনি প্রত্যাশা করেন ২০২৬ সালের কাপটি আর্জেন্টিনা জয় করবে।
ব্রাজিল সমর্থক আনন্দ মল্লিক তিনি আশা করেন, ২০০২ সালের মতো এবার ব্রাজিলের নেইমারের হাতে উঠবে বিশ্বকাপের ট্রফি।
ছেলে-মেয়েকে নিয়ে জার্সি কিনতে এসেছেন সুমন কানুনগো। তিনি জানান, মেয়ে রিনিসা আর্জেন্টিনা সাপোর্টার, অন্যদিকে প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে রীতেশ ব্রাজিল ভক্ত। ছেলে ও মেয়ে আলাদা আলাদা দল সমর্থন করায় তাদের মধ্যে সবসময় খুনসুটি ও তর্ক লেগেই থাকে।
অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন খান সোহাম বললেন, তিনি আগে ব্রাজিল সমর্থন করলেও এবার স্পেন। তার প্রিয় খেলোয়াড় লামিন ইয়ামাল। স্পেনের দলে অনেক তরুণ তারকা রয়েছে এবং তাদের খেলার ধরণ আলাদা।
স্টুডেন্ট স্পোর্টস দোকানের সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন জানান, বিশ্বকাপে জার্সি ও পতাকা বিক্রি ভালো। বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার।
আরেক বিক্রেতা মোহাম্মদ সাজ্জাদ জানান, এই এলাকায় বেশিরভাগ আর্জেন্টিনা সমর্থক। তাই ৯০ শতাংশ চাহিদাই আর্জেন্টিনা জার্সির। আবার অনেকেই জার্সির পেছনে নিজেদের নাম লেখাতে পছন্দ করেন।
আর্জেন্টিনা ভক্ত মোহাম্মদ রিমন এবারও বিশ্বকাপ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। সে কারণে জার্সি নিতে এসেছেন। তিনি জানান, সব জায়গায় কেবল আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সি দেখা যাচ্ছে।




