Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চট্টগ্রাম

গ্যাস নেই, জ্বলছে না রান্নার চুলা

নীলআঁখি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৬:০৫
গ্যাস নেই, জ্বলছে না রান্নার চুলা

ছবি: আগামীর সময়

সকাল গড়িয়ে বিকাল। রান্নাঘরের গ্যাসের চুলা জ্বলছে না। ঘরে এসেছেন অতিথিরা। আপ্যায়নে এক কাপ চা না দিলেই নয়। কিন্তু গ্যাস না থাকায় শেষ পর্যন্ত কেরোসিনের স্টোভেই চা বানাতে হলো। চট্টগ্রাম নগরীর হেমসেন লেনের একটি বাসার এই চিত্র এখন অনেক পরিবারের প্রতিদিনের বাস্তবতা।

হেমসেন লেনের বাসিন্দা কৌরি সেনগুপ্ত বললেন, ‘কয়েকদিন ধরে গ্যাসের জন্য খুব কষ্টে আছি। কখন গ্যাস আসবে, সেই অপেক্ষায় থাকতে হয়। কখনো ভোর ৪টা বা ৫টায় গ্যাস এলে তখনই পরের দিনের রান্না করে রাখি।'

একই এলাকার আরেকটি বাসায় দেখা যায়, উঠানে ইট সাজিয়ে বানানো অস্থায়ী চুলায় কাঠ জ্বালিয়ে রান্না করছেন এক গৃহিণী। ছবি তুলতে চাইলে তিনি বলেছেন, 'ছবি তুলুন। সবাইকে দেখান, কী কষ্টে আছি আমরা।'

শুধু হেমসেন লেন নয়, আগ্রাবাদ, হালিশহর, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, চকবাজার, বাকলিয়া, খুলশী, নিউমার্কেট, আমান বাজার, বায়েজিদ ও পতেঙ্গাসহ নগরীর অধিকাংশ এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাস থাকে না। কোথাও কোথাও দিনে একবারও চুলা জ্বলে না। ফলে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে হাজারো পরিবারের।

কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালের মধ্যে একটির বয়লারে আগুণ লেগে ২১ জুলাই থেকে সরবরাহ বন্ধ আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ। চালু আছে কেবল দেশিয় সামিট গ্রুপের টার্মিনাল। এতে সক্ষমতার ১১ কোটি ঘনফুটের অর্ধেক এলএনজি সরবরাহ পাচ্ছে পুরো দেশ। আগে থেকেই চট্টগ্রাম এই আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে চট্টগ্রামকে ভুগতে হচ্ছে বেশি।


আরও পড়ুন

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ পাঠিয়ে লোডশেডিংয়ের জ্বালায় চট্টগ্রাম

০৩ আগস্ট ২০২৬



কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে বিকল্প পদ্ধতির খোঁজ করছেন অনেকেই। যেসব মাটির চুলা একসময় প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল, সেগুলোই এখন অনেক পরিবারের ভরসা। আবার কেউবা বানিয়েছেন ইটের অস্থায়ী চুলা। এতে কেউ ব্যবহার করছেন কাঠ, কেউ কয়লা। কেউ ব্যবহার করছেন কেরোসিনের স্টোভ, কেউ আবার অতিরিক্ত খরচ হওয়া সত্ত্বেও এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভর করছেন।

খুলশীর বাসিন্দা শামসুন্নাহার বীথি জানালেন, সকাল থেকে গ্যাস থাকে না। পরে এলেও চাপ এত কম থাকে যে রান্না শেষ করতে অনেক সময় লাগে।

চকবাজারের আফসানা খানম প্রাপ্তি বলেছেন, ‘গ্যাস নেই, পানিরও সমস্যা। আবার বিদ্যুৎও ঠিকমতো থাকে না। সংসার চালানোই কঠিন হয়ে গেছে।'

গ্যাস না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন কর্মজীবী মানুষ, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীরা। সময়মতো নাশতা বা দুপুরের খাবার প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পরিবার গভীর রাতে গ্যাস এলে তখনই পরের দিনের রান্না শেষ করে রাখছেন। আর যাদের সেই সুযোগও নেই, তারা বাধ্য হচ্ছেন বিকল্পভাবে রান্না করতে বা বাইরে থেকে খাবার কিনতে।

ওমর ফারুক বললেন, 'সবকিছু থাকার পরও অনেক সময় একবেলা খেয়ে বাকি সময় গ্যাসের অপেক্ষায় থাকতে হয়। বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়াও সবার পক্ষে সম্ভব নয়।'

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) উপমহাব্যবস্থাপক (ডিস্ট্রিবিউশন) রফিক খান বললেন, 'প্রায় ১০ দিন ধরে গ্যাস সংকট চলছে। মাত্র ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি সচল না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। কখন স্বাভাবিক হবে সেটি নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। শনিবার রাত থেকে গ্যাসের চাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের প্রায় সব এলাকাই এর প্রভাব পড়েছে।'

গ্যাস সংকটচট্টগ্রাম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise