জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের কারণে রড ঢেউটিন উৎপাদন খরচ বেড়েছে

ছবি: আগামীর সময়
জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে প্রতি টন রড উৎপাদনে খরচ বেড়েছে ৫ হাজার ২৭৫ টাকা। উৎপাদন খরচ, পরিবহন, বন্দরের ব্যয়, কাঁচা মালের বাড়তি দাম ও ভ্যাট-অগ্রিম আয়কর বাবদ এই খরচ বাড়ল।
প্রতি টনে বিদ্যুৎ খরচ বেড়েছে ১ হাজার ৮০০ টাকা। জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে ৪০০ টাকা। ১৭৫ টাকা বন্দরের খরচ বেড়েছে। কাঁচামালে খরচ বেড়েছে ৫০০ টাকা। অগ্রিম আয়কর ৬০০ টাকা। ১ হাজার ৮০০ টাকা ভ্যাট।
এ খাতে উৎপাদন খরচ বাড়ায় এবারের বাজেটে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব করেছে মিল মালিকরা। দেশে বর্তমানে ভারী লোহাশিল্পের এই দুটি পণ্যের চাহিদা ১ কোটি ২০ লাখ টন। চট্টগ্রামের বৃহৎ ৭-৮টি ও ঢাকার ছোট-মাঝারি ২০-২৫ সচল কারখানায় এসব পণ্য উপদান হয়। গতকাল মঙ্গলবার দেশের শীর্ষস্থানীয় রড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের প্রতি টন রডের কারখানার দর ছিল ৯৫ হাজার।
আগামী বাজেটে রডের দাম যাতে সহনীয় থাকে সে ব্যাপারে সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মিল মালিকরা। বিএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, ‘ভ্যাট অগ্রিম কর কমিয়ে আনা হলে দাম কিছুটা কম পড়বে। সকরারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড না বাড়ালে বাজারে চাহিদা তৈরি হবে না। চাহিদা তৈরি না হলে মিল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
১ কোটি ২০ লাখ টন লৌহজাত পণ্যের মধ্যে বর্তমান বাজারের চাহিদা ৬০ লাখ টনে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মূল কারণ হলো-সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে ধীরগতি ও স্থবিরতা।
দেশের অন্যতম ঢেউটিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেডিএস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কেওয়াই স্টিল। তাদের পণ্যে প্রতি টনে উৎপাদন খরচ বেড়েছে ৭শতাংশ। জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে এ খরচ বেড়েছে বলে জানালেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান।
২৮২ পিসের প্রতিটন ঢেউটিনের দাম ৬০ হাজার টাকা। ১৭৫ পিসের টন বিক্রি হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। মূলত পাতলা ঢেউটিনের দাম তূলনামূলক কম। ভারী বা মোটা টিনের দাম বেশি থাকে।




