চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নির্বাচন
আ. লীগ-জামায়াতপন্থীদের বর্জন, ভোট দেননি অর্ধেক ভোটার

ছবি: আগামীর সময়
আওয়ামী লীগ ও জামায়াতপন্থীদের বর্জনের মুখে হওয়া চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি ভোটারের ভোট পড়েনি। শুধু বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। তবে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে বলে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ হয়েছে চট্টগ্রাম আদালতের জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে।
নির্বাচন কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, মোট ৪ হাজার ৫৬০ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ১০৪ জন ভোট দিয়েছেন। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে একক প্রার্থী থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। বাকি ২১টি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। রাতের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
১৩৩ বছর বয়সী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত দুই সপ্তাহ ধরে আদালত পাড়ায় বিভিন্ন দল সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি চলছে। নির্বাচনে বিএনপিপন্থীরা ‘জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের’ ব্যানারে অংশ নিয়েছেন। একতরফা প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে জামায়াতপন্থী ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’ এ নির্বাচন বর্জন করেছে।
আর আওয়ামী লীগপন্থীরা ‘সাধারণ আইনজীবী পরিষদের’ ব্যানারে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গত ৪ মে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। বিএনপিপন্থীদের বাধা ও নির্বাচন কমিশনের অসহযোগিতার কারণে তারা ফরম নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন। এরপর গতকাল বুধবার নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ‘চোর চোর ভোটচোর’ স্লোগানে মিছিল-সমাবেশ করেন।
জামায়াতপন্থী ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে নির্বাচন বাতিল চেয়ে আদালতে মামলা করেছিল। শুনানি শেষে আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক শামসুল আলম আগামীর সময়কে জানান, আদালতের একপেশে আদেশের প্রতিবাদে তারা নির্বাচন বর্জন করেছেন। এর আগে, সমিতির বিদায়ী কমিটি থেকে তাদের সাত আইনজীবী পদত্যাগ করেন।







