বন্দরের পিসিটিতে ৩ জেটির একটিতে বসবে না গ্যান্ট্রি ক্রেন

সংগৃহীত ছবি
বিদেশি অপারেটর দিয়ে পরিচালিত পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) এর তিনটি কন্টেইনার জেটির মধ্যে একটিতে পণ্য দ্রুত ওঠানামার কি গ্যান্ট্রি ক্রেন বসানো হবে না।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ ওঠানামা নিরাপদ রাখতে এই জেটিতে উচ্চতাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ আগেই দেওয়া আছে। বাকি দুটি জেটিতে বসানো হবে চারটি ক্রেন।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনের স্যানি মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে চারটি কী গ্যান্ট্রি ক্রেন কেনার চুক্তি করে পিসিটি পরিচালনাকারী দেশের প্রথম বিদেশি বন্দর অপারেটর সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে। ১৬ মাস পর সেগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে। চীন থেকে রওনা দিয়ে সেই গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে শুক্রবার বন্দরে ভিড়ছে একটি জাহাজ।
নিজস্ব ফান্ডের ১ হাজার ২ শত কোটি টাকায় পিসিটি নিজেরাই তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। চুক্তি অনুযায়ী সেই টার্মিনালে যন্ত্রপাতি কিনে পরিচালনা করবে রেড সি। সেই শর্ত অনুযায়ী এই ক্রেন আনা হচ্ছে।
কী গ্যান্ট্রি ক্রেন চালু করতে কত সময় লাগবে জানতে রেড সি গেটওয়ে কর্তৃপক্ষের মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যান্ড কমার্শিয়াল ম্যানেজার আলিফা জুন্নুরাইনকে ফোন দেওয়া হলে তিনি সাড়া দেননি। জানা যায়নি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য।
এর আগে অন্য জেটিতে কী গ্যান্ট্রি ক্রেন বসানোর কাজে যুক্ত ছিলেন এমন এক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, ‘জাহাজ থেকে নামিয়ে এই বিশাল ক্রেন চালু করতে সর্বোচ্চ দুই মাস লাগতে পারে। ক্রেনগুলোর পারফরম্যান্স কেমন আমার জানা নেই। তবে এতটুকু জানি একটি জেটিতে উচ্চতা বিধিনিষেধ আছে।’
কর্ণফুলী নদীর তীরে পিসিটির তিন নম্বর জেটির অবস্থান চিটাগাং বোট ক্লাবের পাশে। এই জেটিতে শুধু ক্রেনযুক্ত কন্টেইনার জাহাজ ভেড়ানো হবে। আর জাহাজের ক্রেন দিয়েই পণ্য উঠানামা করা যাবে। ফলে এই জেটির পণ্য ওঠানামার গতি কি গ্যান্ট্রি ক্রেনের মতো হবে না।
এই তিন জেটি দিয়ে বছরে ৫ লাখ একক কন্টেইনার ওঠানামা করার লক্ষমাত্রা আছে। যদিও সেই লক্ষমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে পিসিটির সৌদি অপারেটর। মাসে সাড়ে ৪১ হাজার কন্টেইনার ওঠানামা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা এই টার্মিনালে বিদেশি অপারেটরের পারফরম্যান্স সাড়ে ২৮ হাজার।





