জাহাজভাঙা কারখানায় ৬ মাসে ২৮ দুর্ঘটনা

ছবি: আগামীর সময়
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে জাহাজভাঙা কারখানায় ২৮টি দুর্ঘটনায় তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছে আরও ২৫ জন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দুর্ঘটনার সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ইপসা এইচআরডি সেন্টারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত জাহাজভাঙা শিল্প সেক্টরে অর্ধবার্ষিক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ছয় মাসে ২১টি দুর্ঘটনা দিনের বেলায় এবং সাতটি রাতে সংঘটিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে এপ্রিল মাসে। দুর্ঘটনার প্রায় ৮০ শতাংশ ঘটেছে গার্ডার বা ভারী বস্তু পড়ে, গ্যাস, অগ্নিকাণ্ড এবং ওয়্যারজনিত কারণে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কাটারম্যান, কাটার হেলপার, ক্রেন হেলপার, ওয়্যার গ্রুপ, ফিটারম্যান ও লোডিং গ্রুপের শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে কাজ করেন। দুর্ঘটনার পেছনে অনিরাপদ আচরণ, অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের অভাব, তদারকির ঘাটতি এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের আহ্বায়ক তপন দত্ত। প্রধান অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিলস এলআরএসসি সেন্টার কো-অর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান এ এম নাজিম উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন ও জাহাজভাঙা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফোরামের সদস্য দিদারুল আলম চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন বিলস চট্টগ্রামের সমন্বয়ক ফজলুল কবির মিন্টু।
তারা শ্রমিকদের নিরাপদ কর্ম পরিবেশের জন্য সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন।




